সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রচণ্ড গরম কিংবা আঘাত লাগলে কীভাবে কাজ করে স্নায়ু? কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেয়? সেই রহস্যই ভেদ করে ২০২১ সালের মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার (Nobel Prize 2021 in Medicine) ছিনিয়ে নিলেন দুই মার্কিন বিজ্ঞানী-ডেভিড জুলিয়াস এবং আর্ডেম পাতাপৌতিয়ান। সোমবার নোবেল কমিটির তরফে দুই বিজ্ঞানীর নাম ঘোষণা করা হয়।
নোবেল কমিটি তাঁদের টুইটার লিখেছেন, ২০২১ সালের মেডিসিনের নোবেল পুরস্কার যুগ্মভাবে পাচ্ছেন ডেভিড জুলিয়াস (David Julius) এবং আর্ডেম পাতাপৌতিয়ান (Ardem Patapoutian)। তাঁরা ‘রিসেপ্টরস ফর টেম্পারেচর অ্যান্ড হিট’-র রহস্য উদঘাটনের জন্য পুরস্কৃত হলেন। কোন রহস্য উন্মোচন করেছেন তাঁরা? দুই মার্কিন গবেষক তাঁদের গবেষণায় তুলে ধরেছেন, আমাদের স্নায়ু কীভাবে তাপ, ঠাণ্ডা এবং যান্ত্রিক উদ্দীপনা গ্রহণ করে, কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেয়, সে বিষয়টিই তাঁরা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেছেন।
[আরও পড়ুন: জাপানের কুর্সিতে নতুন প্রধানমন্ত্রী ফিউমিও কিশিদা, একঝাঁক নতুন মুখ নিয়ে তৈরি মন্ত্রিসভা]
ডেভিড জুলিয়াস ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক। লঙ্কা দিয়ে বিশেষ যৌগ তৈরি করেছিলে তিনি। পরীক্ষায় সেই যৌগই ব্যবহার করেছিলে ওই বিজ্ঞানী। ঝাল-ঝাল অনুভূতি থাকলে আমাদের ত্বক কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেয়, তা বোঝা গিয়েছিল এই পরীক্ষার মাধ্যমে। নোবেলজয়ী আরেক গবেষক আর্ডেম পাতাপৌতিয়ান হাভার্ড হুগোস মেডিক্যাল ইন্সস্টিটিউটেক সঙ্গে যুক্ত। চাপের প্রভাবে ত্বকে থাকা স্নায়ু কী প্রতিক্রিয়া দেয়, তা তুলে ধরেছেন আর্ডেম পাতাপৌতিয়ান। এবার করোনা আবহে যে যার দেশে বসেই পুরস্কার সংগ্রহ করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন নোবেল কমিটি
BREAKING NEWS:
The 2021 #NobelPrize in Physiology or Medicine has been awarded jointly to David Julius and Ardem Patapoutian “for their discoveries of receptors for temperature and touch.” pic.twitter.com/gB2eL37IV7— The Nobel Prize (@NobelPrize) October 4, 2021
[আরও পড়ুন: বিদ্যুতের বিল মেটাচ্ছে না তালিবান, আফগানিস্তানে ফিরতে চলেছে ‘অন্ধকার যুগ’]
প্রসঙ্গত, গতবার হেপাটাইটিস সি ভাইরাসের অস্তিত্ব ও তার সঙ্গে লড়াইয়ের উপায় বাতলে দিয়ে এই পুরস্কার জিতে নিয়েছিলেন দুই মার্কিন ও এক ব্রিটিশ বিজ্ঞানী। নোবেল প্রাপক দুই মার্কিন গবেষক হলেন হার্ভি জে অলটার (Harvey J Alter) ও চালর্স এম রাইস (Charles M Rice)। তাঁদের সঙ্গে যুগ্মভাবে এই তালিকায় ছিলেন ব্রিটিশ গবেষক হুগোটন (Michael Houghton)।