Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬

চিনে ফিরল জুরাসিক যুগ, সন্ধান মিলল ৩০টি ডাইনোসরের ডিমের

জীবাশ্মগুলির বয়স কত জানেন?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯, ১২:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯, ১২:০২

options
link
চিনে ফিরল জুরাসিক যুগ, সন্ধান মিলল ৩০টি ডাইনোসরের ডিমের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লক্ষ লক্ষ বছর আগে এ পৃথিবী থেকে বিলুপ্তি ঘটেছে ডাইনোসরের। কিন্তু তাদের নিয়ে গবেষণা এখনও অব্যাহত। অনেক প্রশ্নের উত্তর বিজ্ঞানীদের কৌতূহল মেটালেও এই বিষয় নিয়ে তাঁদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা এখনও শেষ হয়নি। এবার বিজ্ঞানীরা পেলেন এক নয়া সন্ধান। চিনের জিয়ানজি প্রদেশের গুয়ানঝু-য়ে মিলল প্রায় ৩০টি ডিমের জীবাশ্ম। যে সে ডিম নয়, এগুলি ডাইনোসরের ডিমের জীবাশ্ম বলেই মনে করছেন গবেষকরা।

[ভারতের কলকাঠিতে পাকিস্তানকে হুমকি আমেরিকার, তোপ হাফিজের]

গুয়ানঝু-য়ে একটি স্কুল তৈরির কাজ চলছিল। সেখানেই মাটি খুঁড়তে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৩০টি ডিমের জীবাশ্ম। বেশ স্পষ্ট। বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবাশ্মের বয়স কমপক্ষে ১৩০ মিলিয়ন বছর। ওই এলাকার বড় বোল্ডারগুলি ভাঙার জন্য শ্রমিকরা বিস্ফোরক ব্যবহার করেছিলেন। তা সত্ত্বেও অল্পের জন্য বেঁচে যায় ডিমের জীবাশ্ম। বোল্ডারগুলি এক জায়গায় জড়ো করার সময় শ্রমিকদের পাখির বাসার মতো একটি বস্তুর জীবাশ্ম চোখে পড়ে। সঙ্গে ২ মিলিমিটার পুরু কালো কোষের কিছু টুকরোও দেখতে পান তাঁরা। বিল্ডিং প্রস্তুতকারকরা প্রথমেই এই জীবাশ্মকে ডাইনোসরের ডিমের বলে আন্দাজ করেছিলেন। কিন্তু নিশ্চিত না হওয়ায় তাঁরা থানায় খবর দেন। পুলিশ এসে গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে। এরপর দায়ু কাউন্টি জাদুঘরের বিশেষজ্ঞরা এসে বিষয়টি পরিষ্কার করেন। তাঁরা বলেন, এই জীবাশ্ম ক্রেটাকসাস যুগের। ১৪৫ মিলিয়ন বছর আগের সেই যুগ শুরু হয়েছিল জুরাসিক যুগের ঠিক পরেই। সে যুগেও ডাইনোসরদের অস্তিত্ব ছিল।

Advertisement

[বাজারে এল স্মার্ট হেলমেট, দুর্ঘটনায় পড়লে নিজেই ডাকবে অ্যাম্বুল্যান্স]

সম্প্রতি মঙ্গোলিয়ায় খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল একটি দৈত্যাকার ডাইনোসরের পায়ের ছাপ। জাপান ও মঙ্গোলিয়ার এক যৌথ অভিযানে গোবি মরুভূমিতে এই পায়ের ছাপ দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। যা বিশ্বে সাড়া ফেলে দিয়েছিল। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, গুয়ানঝাউ এলাকাটি ডাইনোসরের পরিচিত স্থান। এখানে আগেও তাদের অস্তিত্বের নানা নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে। এখানকার সাতটি এলাকার নাম অনুযায়ী ডাইনোসরের নাম দিয়েছেন গবেষকরা। এবার অত্যন্ত স্পষ্ট ডিমের জীবাশ্ম তাঁদের গবেষণাকে নিঃসন্দেহে আরও তরান্বিত করল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.