Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬

শেষ হল ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া, সেনেটে বেকসুর খালাস প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

সেনেটে ১০০টির মধ্যে ৫৩টি আসনের দখল রয়েছে রিপাবলিকানদের হাতে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২০, ০৯:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২০, ০৯:২০

options
link
শেষ হল ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া, সেনেটে বেকসুর খালাস প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মার্কিন কংগ্রেসে শেষ হল ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া। প্রত্যাশামতোই সংখ্যাগরিষ্ঠতার বলে বেকসুর খালাস পেয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় মতে বুধবার প্রেসিডেন্টের ইমপিচমেন্ট নিয়ে ভোটাভুটি হয় মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সেনেটে।

গত ডিসেম্বর মাসে ট্রাম্পের  ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু করেন ডেমোক্রেটরা। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী জো বিডেন এবং তাঁর ছেলের ব্যাপারে দুর্নীতির তদন্ত শুরু করতে ইউক্রেনের উপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন ট্রাম্প। ইউক্রেন রাজি না হওয়ায় একক সিদ্ধান্তে তাদের ৪০ কোটি ডলারের প্রতিরক্ষা অনুদান বন্ধ করে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এছাড়াও,  মার্কিন কংগ্রেসের কাজে বাধা সৃষ্টি করার অভিযোগও আনা হয় তাঁর বিরুদ্ধে। মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস’-এ ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব পাশও হয়ে যায়। এদিন, প্রথম অভিযোগে ট্রাম্পকে বেকসুর খালাস দেওয়ার পক্ষে ভোট দেন ৫২ জন সেনেটর। বিপক্ষে ভোট দেন ৪৮ জন। দ্বিতীয় অভিযোগের ক্ষেত্রে ৫৩-৪৭ ভোটে সমস্ত অভিযোগ থেকে মুক্তি পেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।  

Advertisement

প্রসঙ্গত, মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সেনেটে ১০০টির মধ্যে ৫৩টি আসনের দখল রয়েছে রিপাবলিকানদের হাতে। ৪৭টি আসন নিয়ে হম্বিতম্বি করলেও প্রেসিডেন্টকে ইমপিচ করা সম্ভব নয় বলেও জানা ছিল ডেমোক্রেটিক পার্টির। ফলে এই প্রক্রিয়া প্রতীকী বই কিছু নয় বলে আগেই বলেছিলেন বিশ্লেষকরা।  তবে মার্কিন কংগ্রেসে দোষী সাব্যস্ত হলে প্রেসিডেন্ট পদ ছাড়তে হত ট্রাম্পকে। সেক্ষেত্রে ওই পদে বসতেন  বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেনস।  এদিকে, বেকসুর খালাস পাওয়ার পরই ট্রাম্পের নির্বাচনী দপ্তর থেকে তোপ দাগা হয়েছে ডেমোক্রেটদের উদ্দেশে। একটি বিবৃতিতে কটাক্ষ করে বলা হয়, ‘ডেমোক্রেটরা জানত কোনওভাবেই ট্রাম্পকে ইমপিচ করা যাবে না। তারা এই পদক্ষেপ শুধুমাত্র নির্বাচনী উদ্দেশ্য সিদ্ধ করতে নিয়েছে। ‘

বিশ্লেষকদের মতে,  ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়ার শেষে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে ডেমোক্রেটরা।  ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়ার শেষে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জনপ্রিয়টা আরও বাড়বে।  হানিকটা সে দিকেই ইঙ্গিত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, বর্তমানে প্রায় ৪৯ শতাংশ মার্কিন ভোটার ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট পদের যোগ্য প্রার্থী বলে মনে করেন।  ফলে দ্বিতীয়বার নিজের পদ ধরে রাখতে পারবেন ট্রাম্প বলেই মনে করা হচ্ছে।          

[আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে বৈষম্য, শ্রীলঙ্কার স্বাধীনতা দিবসে তামিল ভাষায় গাওয়া হল না জাতীয় সঙ্গীত]                                                

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.