Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Donald Trump

মার্কিন মানবাধিকার কমিশনের শীর্ষে ‘ভারতীয়’ হরমিত, দলের ‘আপত্তি’ উড়িয়ে শিখ মুখে ভরসা ট্রাম্পের

১৯৬৯ সালে ভারতেই জন্ম হয় হরমিতের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১০, ২০২৪, ১৩:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১০, ২০২৪, ১৩:৩৯

options
link
মার্কিন মানবাধিকার কমিশনের শীর্ষে ‘ভারতীয়’ হরমিত, দলের ‘আপত্তি’ উড়িয়ে শিখ মুখে ভরসা ট্রাম্পের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আমেরিকা পরিচালনার জন্য আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূতের উপর আস্থা রাখলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। সোমবার তিনি জানান, মার্কিন মানবাধিকার কমিশনের শীর্ষ পদে বসতে চলেছেন হরমিত কে ধিলোঁ (Harmeet Dhillon)। দীর্ঘদিন ধরে ট্রাম্পের কট্টর সমর্থক হিসাবেই পরিচিত হরমিত। বহুবার তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন আমেরিকার হবু প্রেসিডেন্ট।

দেশের অন্যতম শীর্ষ পদে বসতে চলেছেন হরমিত। আমেরিকার বিচার দপ্তরের অন্তর্গত সিভিল রাইটস বিভাগের প্রধান তথা অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল ফর সিভিল রাইটস পদ পাবেন তিনি। সোমবার হরমিতের নাম ঘোষণা করতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, “মানবাধিকার রক্ষার জন্য দীর্ঘদিন ধরে সরব হয়েছ হরমিত। বাকস্বাধীনতা, উপাসনার অধিকার রক্ষা করার পাশাপাশি কর্মীদের মধ্যে বিভেদ ঘটানো সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে।”

Advertisement

পেশায় আইনজীবী হরমিত ২০২০ সালে ট্রাম্পের প্রচারে আইনি পরামর্শদাতা ছিলেন। সেবারের মার্কিন নির্বাচনের ফলকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা ঠুকেছিলেন ট্রাম্প। সেসময়েও ট্রাম্পের হয়ে সওয়াল করেছিলেন তিনি। প্রকাশ্যেও বরাবর ট্রাম্পের হয়ে কথা বলতে দেখা গিয়েছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই আইনজীবীকে। হবু মার্কিন প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণে রিপাবলিকানদের একাংশের রোষেও পড়তে হয়েছে হরমিতকে। তবে নিজের প্রশাসনে বড় পদ দিয়ে হরমিতের উপর আস্থা রেখেছেন ট্রাম্প।

১৯৬৯ সালে ভারতেই জন্ম হয় হরমিতের। মাত্র দুবছর বয়সে মা-বাবার সঙ্গে চন্ডীগড় ছেড়ে নর্থ ক্যারোলিনায় চলে যান তিনি। সেখানকার একটি গ্রামেই হরমিতের বেড়ে ওঠা। পরে তিনি চলে আসেন নিউ ইয়র্কে। ২০০৬ সালে সান ফ্রান্সিসকোতে নিজের আইনি পেশা শুরু করেন। যোগ দেন রাজনীতিতেও। তবে শিখ ধর্মের হরমিতকে মেনে নিতে পারেনি রিপাবলিকান পার্টির একাংশ। দলের ন্যাশনাল কমিটির প্রধান হওয়ার জন্য ভোটে দাঁড়ালেও ধর্মীয় পরিচয়ের কারণেই তাঁকে হারতে হয় বলে মত বিশ্লেষকদের। কিন্তু এবার সেনেটের অনুমোদন পেলেই দেশের অন্যতম শীর্ষ পদে বসবেন হরমিত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.