Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Donald Trump

‘সবাই নরকে যাবে’, অভিবাসন ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘ এবং পশ্চিমী বিশ্বকে তোপ ট্রাম্পের

সম্প্রতি অভিবাসন-বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল হয় ব্রিটেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৫, ১৬:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৫, ১৬:১৭

options
link
‘সবাই নরকে যাবে’, অভিবাসন ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘ এবং পশ্চিমী বিশ্বকে তোপ ট্রাম্পের zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দ্বিতীয়বার হোয়াইট হাউসে অধিষ্ঠিত হওয়ার পর প্রথম রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফুঁসে উঠলেন তিনি। অভিবাসন ইস্যুতে খোদ রাষ্ট্রসংঘ এবং পশ্চিমী বিশ্বকে তোপ দাগলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বলেন, “আপনারা সবাই নরকে যাবেন।” তাঁর দাবি, রাষ্ট্রসংঘের মদতেই পশ্চিমের দেশগুলিতে অনুপ্রবেশ চলছে।

ট্রাম্পের অভিযোগ, গোটা বিশ্বে শান্তি ফেরাতে রাষ্ট্রসংঘ সম্পূর্ণ ব্যর্থ। শুধু তাই নয়, অবৈধ অভিবাসনকে মদত দিচ্ছে আন্তর্জাতিক মঞ্চটি। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রসংঘের উদ্দেশ্য কী? মনে হচ্ছে, তারা শুধু কঠিন কঠিন শব্দে চিঠি লিখতেই পারে। এগুলি সব ফাঁপা কথা। আর ফাঁপা কথা দিয়ে কোনও যুদ্ধ থামানো যায় না।” অভিবাসীদের তীব্র বিরোধী হিসাবেই পরিচিত ট্রাম্প। তাই দ্বিতীয় দফায় প্রেসিডেন্ট হয়েই অনুপ্রবেশ এবং অভিবাসন রুখতে কড়া নীতি গ্রহণ করছেন তিনি। এই আবহে রাষ্ট্রসংঘে তাঁর এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে, অভিবাসনের পাশাপাশি যুদ্ধ নিয়েও মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক মঞ্চটিকে নিশানা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, “ভারত-পাকিস্তান-সহ মোট ৭টি যুদ্ধ আমি থামিয়েছি। রাষ্ট্রসংঘ এই যুদ্ধগুলি থামানোর কোনও চেষ্টাই করেনি।”

Advertisement

সম্প্রতি অভিবাসন-বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল হয় ব্রিটেন। অতি দক্ষিণপন্থীদের ওই মিছিলের নাম দেওয়া হয় ‘ইউনাইট দ্য কিংডম’। ব্রিটেনের একাধিক জায়গা থেকে জাতীয় পতাকা হাতে মিছিলে হাজির হন বহু মানুষ। তবে সেই আন্দোলনকে সমর্থন করেননি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার। স্পষ্ট করে দেন, অতি দক্ষিণপন্থীদের কাছে তিনি মাথা নত করবেন না। তিনি এ-ও জানান, দেশের বৈচিত্র্যময় জাতীয় পতাকাকে আন্দোলনকারীরা ঢাল হিসাবে ব্যবহার করছেন। এই পরিস্থিতিতে অভিবাসন ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘে ফুঁসে উঠলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.