Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Donald Trump

ভারতের কৃষিক্ষেত্রে কর্পোরেটের প্রবেশে নিষেধ, বাধা পেয়েই ‘ভাতের লড়াই’য়ে বেপরোয়া ট্রাম্প!

ভারতীয় চালে 'শুল্কবাণ'-এর হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০২৫, ১৬:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০২৫, ১৬:০০

options
link
ভারতের কৃষিক্ষেত্রে কর্পোরেটের প্রবেশে নিষেধ, বাধা পেয়েই ‘ভাতের লড়াই’য়ে বেপরোয়া ট্রাম্প! zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সোজা আঙুলে ঘি ওঠেনি। ভারতের কৃষিক্ষেত্রে মার্কিন অনুপ্রবেশের চেষ্টায় রেড সিগন্যাল দেখিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। থমকে গিয়েছে বাণিজ্য চুক্তি। এই পরিস্থিতিতে ঘুরপথে ভারতের বিরুদ্ধে কোমর বেঁধে নামল ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকার। কৃষকের স্বার্থবিরোধী ষড়যন্ত্রে সোজাপথে এঁটে উঠতে না পেরে এবার ভারতের বিরুদ্ধে ‘ভাতের লড়াই’ শুরু করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ভারতীয় চালের উপর ফের ‘শুল্ক’-এর বোঝা চাপানোর হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি।

সোমবার মার্কিন কৃষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানেই কৃষকদের বক্তব্য শোনার পর ট্রাম্পের রোষ গিয়ে পড়ে ভারতের উপর। দাবি করেন, ভারতের থেকে আসা সস্তার চালের জন্য দেশের বাজারে প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে পারছেন না মার্কিন কৃষকরা। এর জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী ভারতের কৃষিজ পণ্য। এই পরিস্থিতিতে হুঁশিয়ারির সুরে ট্রাম্প বলেন, সস্তার ভারতীয় চাল এভাবে আমেরিকায় ডাম্পিং করা উচিত নয়। হুমকির সুরে তিনি বলেন, “প্রয়োজনে আমরা কড়া শুল্ক চাপাব।”

Advertisement

মার্কিন প্রেসিডেন্ট শুল্কের অঙ্ক স্পষ্ট না করলেও এর নেপথ্যে বিরাট কর্পোরেট ষড়যন্ত্র দেখছে কূটনৈতিক মহল। আসলে ভারতের কৃষিজপণ্যের বাজারে ঢোকার চেষ্টা আমেরিকার দীর্ঘদিনের। কিন্তু সেই বাজার ধরা একেবারেই সহজ নয়। কারণ, ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বা এমএসপি-র মাধ্যমে কৃষকদের বিরাট ভর্তুকি দেয় সরকার। যা কৃষিপণ্যের উৎপাদনের খরচ ব্যাপক কমিয়ে দেয়। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সেইসব কৃষিপণ্যে বাকিদের সঙ্গে টেক্কা দিতে পারে দেশ। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন ইন্ধনে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থা (WTO) ভারত সরকারের উপর চাপ বাড়িয়েছে কৃষিজক্ষেত্রে ভর্তুকি কমানোর জন্য। তবে ভারত সরকার সে উপদেশ কানে তোলেনি। সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, ভর্তুকি দরিদ্র কৃষকদের জন্য প্রয়োজনীয়। উন্নত দেশ (আমেরিকা) নিজেরাই কৃষিতে আরও বেশি ভর্তুকি দেয়। তাই ভর্তুকিকে ‘অন্যায্য’ বলা দ্বিমুখী আচরণ।

কৃষিক্ষেত্রে এই ভর্তুকির জেরে ভারতে কর্পোরেট সংস্থাগুলিও বিশেষ গুরুত্ব পায় না। সেখানে আমেরিকার প্রবেশের চেষ্টা যে বাধাপ্রাপ্ত হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেই ধাক্কা সহজে হজম করতে নারাজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যার জেরে দীর্ঘ আলোচনা সত্ত্বেও আটকে রয়েছে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য চুক্তি। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে ভারতের বিরুদ্ধে এবার দাঁত-নখ বের করল আমেরিকা। ভারতের বিরুদ্ধে শুরু করল ‘ভাতের লড়াই’।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.