Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Donald Trump

‘আমার কিছু যায় আসে না’, শান্তি বৈঠক ব্যর্থ হতেই তাচ্ছিল্যের সুর ট্রাম্পের গলায়

সোমবার ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “ইরানের সঙ্গে ফের আলোচনার টেবিলে বসা হবে না কি না তা আমি জানি না। বিষয়টি নিয়ে আমি একেবারেই চিন্তিত নই। আমার কিছু যায় আসে না।” তিনি দাবি করেন, ইরান এখনও আমেরিকার সঙ্গে বৈঠকে বসতে মুখিয়ে আছে। তেহরান নিশ্চিত করেছে, তারা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করে দেবে। ইরান আর পরমাণু বোমা বানাবে না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২৬, ১৩:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২৬, ১৩:০০

options
link
‘আমার কিছু যায় আসে না’, শান্তি বৈঠক ব্যর্থ হতেই তাচ্ছিল্যের সুর ট্রাম্পের গলায় zoom
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত।

ইসলামাবাদে ইরান-আমেরিকা শান্তি (US Iran Talks) বৈঠক ব্যর্থ হতেই তাচ্ছিল্যের সুর শোনা গেল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) গলায়। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, আগামী দিনে তেহরানের সঙ্গে আমেরিকা ফের আলোচনায় বসবে কি না তা নিয়ে তিনি চিন্তিত নন।

সোমবার ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “ইরানের সঙ্গে ফের আলোচনার টেবিলে বসা হবে না কি না তা আমি জানি না। বিষয়টি নিয়ে আমি একেবারেই চিন্তিত নই। আমার কিছু যায় আসে না।” তিনি দাবি করেন, ইরান এখনও আমেরিকার সঙ্গে বৈঠকে বসতে মুখিয়ে আছে। তেহরান নিশ্চিত করেছে, তারা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করে দেবে। ইরান আর পরমাণু বোমা বানাবে না। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই দাবি নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি তেহরান।

Advertisement

বলে রাখা ভালো, শনিবার শান্তি বৈঠক শুরুর আগেও নেতিবাচক সুরই শোনা গিয়েছিল ট্রাম্পের গলায়। তিনি বলেছিলেন, আমেরিকা এই যুদ্ধে জিতে গিয়েছে। সুতরাং চুক্তি হোক কিংবা না হোক। তাতে আমার কিছু যায় আসে না। এখানেই ইরানের অভিযোগ, আমেরিকা ইচ্ছাকৃতভাবেই শান্তি বৈঠক ভেস্তে দিয়েছে। আমেরিকা আগে থেকে মনস্থির করেই এসেছিল যে কোনও শর্ত তারা মানবে না।

এদিকে ট্রাম্প ইতিমধ্যেই ঘোষণা করে দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করবে আমেরিকাই। তিনি জানান, হরমুজে অবাধভাবে জাহাজ চলাচল করুক এমনটাই তিনি চান। কিন্তু ইরান সেটাই হতে দিচ্ছে না। তাঁর দাবি, মার্কিন নৌবাহিনীকে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন জলসীমায় প্রতিটি জাহাজকে খুঁজে বের করতে, যারা ইরানকে শুল্ক দিয়ে সেখানে প্রবেশ করেছে। যারাই বেআইনি শুল্ক দিয়েছে গভীর সমুদ্রে তাদের নিরাপদে যাতায়াতের সুযোগ দিতে নারাজ ওয়াশিংটন। এই আবহে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয় সেটাই এখন দেখার।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.