Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
USA

ভেনেজুয়েলা নয়, এই দুই দেশ থেকে মাদক ঢোকে আমেরিকায়! মাদুরো অপহরণ অছিলা মাত্র

মার্কিন রিপোর্টই ভেনেজুয়েলা নিয়ে ট্রাম্পের দাবি খারিজ করেছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ১৬:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ১৬:৩০

options
link
ভেনেজুয়েলা নয়, এই দুই দেশ থেকে মাদক ঢোকে আমেরিকায়! মাদুরো অপহরণ অছিলা মাত্র zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাদক চোরাচালানের অভিযোগ এনে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে সে দেশের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দি করেছে আমেরিকা (USA)। অথচ মার্কিন রিপোর্টই বলছে, ভেনেজুয়েলা নয়, মেক্সিকো এবং কলম্বিয়া থেকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে মাদক ঢোকে আমেরিকায়। মাদক ব্যবহার এবং স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমীক্ষার (ইউএস ন্যাশনাল সার্ভে অন ড্রাগ ইউজ অ্যান্ড হেলথ) ২০২৪ সালের রিপোর্ট খারিজ করা হয়েছে খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি। কী বলা হয়েছে বিস্তারিত রিপোর্টে?

আমেরিকানদের (বিশেষত তরুণ প্রজন্ম) মাদকাশক্তির বিষয়টি সর্বজনবিদিত। দেশটিতে মাদকপাচার, সেই সংক্রান্ত একাধিক গ্যাংয়ের সংঘর্ষ নিয়ে একধিক হলিউড ছবি তৈরি হয়েছে। পড়শি দুই দেশ মেক্সিকো এবং কলম্বিয়া থেকেই যে মার্কিন সাম্রাজ্যে মাদক ঢোকে, একথাও জানা। তাতেই সিলমোহর দিয়েছে সাম্প্রতিক রিপোর্ট। পরিসংখ্যান বলছে, আমেরিকায় ২ কোটি ৭৭ লক্ষ মানুষ মারিজুয়ানা বাদেও অন্যান্য অবৈধ মাদক সেবন করেন। সেই তালিকায় রয়েছে গাঁজা, এমডিএমএ, এলএসডি এবং কোকেন ইত্যাদি। ‘ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ রিপোর্ট’ বলছে, গোটা বিশ্বের অবৈধ মাদক সেবনকারীর সিংহভাগ মার্কিন নাগরিক।

Advertisement

২০২৪ সালের রিপোর্টে স্পষ্ট করা হয়েছে, জলপথ, সুড়ঙ্গ খুঁড়ে এবং মার্কিন এজেন্টদের ব্যবহার করে আমেরিকা-মেক্সিকো সীমান্ত দিয়েই সবচেয়ে বেশি অবৈধ মাদক ঢোকে ট্রাম্পের দেশে। যদিও মাদক উৎপাদনের রাজা হল প্রয়াত ফুটবলার পাবলো এসকোবোরের দেশ কলম্বিয়া। রাষ্ট্রপুঞ্জের একটি রিপোর্ট বলছে, ২০২৩ সালে গোটা বিশ্বে ৩৭০৮ মেট্রিক টন কোকেন তৈরি হয়েছিল। তার মধ্যে প্রায় ২,৬০০ মেট্রিক টনই তৈরি হয়েছিল কলম্বিয়ায়। সে দেশের অপরাধজগৎ চলে মূলত মাদকপাচারের অর্থে।

মার্কিন রিপোর্টে বলা হয়ছে, ভেনেজুয়েলা আদৌ আমেরিকায় পাচার হওয়া অবৈধ মাদকের উৎস নয়। বরং এই দেশ থেকে কিছু পরিমাণ কোকেন জলপথে চলে যায় পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলিতে। অর্থাৎ কিনা যে অভিযোগের ভিত্তিতে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে মাদুরোকে বন্দি করে তুলে আনা হল আমেরিকায়, এমনকী বিচার শুরু হয়ে গেল, মার্কিন রিপোর্ট অনুযায়ী তার কোনও ভিত্তি নেই। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মাদকের অভিযোগ আসলে অজুহাত। রাশিয়াকে হটিয়ে ভেনেজুয়েলের তেলের খনির দখল নিতেই মাৎস্যন্যায় চালাচ্ছেন ট্রাম্প।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.