সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিগত কয়েকদিন ধরেই একের পর এক বোমা ফাটাচ্ছে জইশ কমান্ডার মাসুদ ইলিয়াস। সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ফের একবার ইসলামাবাদের মুখোশ ছিঁড়ে ফেলল সে। স্পষ্ট জানিয়েছে, পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনীরের নির্দেশেই অপারেশন সিঁদুরে নিহত জঙ্গিদের শেষকৃত্যে উপস্থিত হয়েছিলেন পাক জওয়ানরা।
এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে (যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল)। সেখানে ইলিয়াসকে বলতে শোনা যাচ্ছে, “সেনা সদরদপ্তর থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সিঁদুরে নিহত জঙ্গিদের শেষকৃত্যে যাতে উচ্চপদস্থ পাক কমান্ডাররা উপস্থিত থাকেন।” সে আরও বলে, “শহিদদের সম্মান জানাতে জওয়ানদের সেনার পোশাকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছিল। এমনকী কিছু জওয়ানকে সেখানে পাহারারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সদরদপ্তর থেকে।” প্রসঙ্গত, অপারেশন সিঁদুরের পর জঙ্গিদের শেষকৃত্যের একাধিক ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। সেখানে পাক জওয়ানদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছিল। তারপরই বিতর্ক তৈরি হয়। ফুঁসে ওঠে ভারত। এবার খোদ জইশ কমান্ডার পরোক্ষভাবে নিজের মুখে স্বীকার করে নিল যে সন্ত্রাসের মদতদাতা পাকিস্তান।
উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই ইলিয়াস সাফ জানায়, দিল্লির সংসদ হামলা ও ২৬/১১ মুম্বই হামলার মূলচক্রী আর কেউ নয়, খোদ জইশ-ই-মহম্মদের প্রধান মাসুদ আজাহার। ইলিয়াসের বয়ানে স্পষ্ট যে পাকিস্তান যতই নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করুক না কেন, বাস্তবে পাকিস্তানের শিরায় শিরায় সন্ত্রাসের বিষ। অপারেশন সিঁদুরে গুঁড়িয়ে গিয়েছিল এই মাসুদের বাড়ি। শোনা গিয়েছিল, বিস্ফোরণে মারা গিয়েছে আজহারের পরিবারের ১৪ সদস্য। এটা যে কোনও দাবিমাত্র নয়, বরং একেবারে সত্যি ঘটনা, সেকথাও মেনে নিয়েছে জইশ শীর্ষ কমান্ডার মাসুদ ইলিয়াস।
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক