Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Kejriwal arrest

দিল্লির চাপে সুর নরম? কেজরির গ্রেপ্তারি নিয়ে ‘উদ্বেগে’র পরই ভারতের ভূয়সী প্রশংসা জার্মানির

কেজরির গ্রেপ্তারি নিয়ে মন্তব্য করার পরেই জার্মান রাষ্ট্রদূতকে তলব করে দিল্লি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২৪, ১৬:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২৪, ১৬:৩৬

options
link
দিল্লির চাপে সুর নরম? কেজরির গ্রেপ্তারি নিয়ে ‘উদ্বেগে’র পরই ভারতের ভূয়সী প্রশংসা জার্মানির zoom
নিজস্ব চিত্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লির চাপের মুখে সুর নরম জার্মানির (Germany)! অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গ্রেপ্তারি নিয়ে দিন কয়েক আগে ‘উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছিল সেদেশের প্রশাসন। তার পরেই তলব করা হয় জার্মানির রাষ্ট্রদূতকে। তার পরেই ভারতীয় সংবিধানের ভূয়সী প্রশংসা করেছে জার্মানির বিদেশমন্ত্রক।

গত বৃহস্পতিবার রাতে আবগারি দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো (Arvind Kejriwal)। সেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই জার্মানির বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, “আমরা জানি ভারত গণতান্ত্রিক দেশ। আশা করি, এই মামলাতে সেই স্বাধীন ন্যায়বিচারের মানই বজায় রাখা হবে। যে কোনও অভিযুক্তের মতোই কেজরিওয়ালও ন্যায্য ও পক্ষপাতহীন বিচারের অধিকারী। কোনও বিধিনিষেধ ছাড়াই তিনি যেন সব ধরনের আইনি রাস্তায় যেতে পারেন।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভারতের হস্তক্ষেপে থামবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ! কী বললেন জয়শংকর?

জার্মানির এই অবস্থান প্রকাশ্যে আসতেই সেদেশের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানো হয়। তলবের পরে বিবৃতি দিয়ে বিদেশমন্ত্রক জানায়, ‘ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ’ করছে জার্মানি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই ধরনের মন্তব্যকে আমাদের বিচার ব্যবস্থায় এক ধরনের হস্তক্ষেপ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে ছোট করার প্রয়াস বলেই দেখছি আমরা।” তলবের পরে অবশ্য এই প্রসঙ্গে আর কোনও মন্তব্য করেননি নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত।

বেশ কয়েকদিন পরে কেজরির গ্রেপ্তারি ইস্যুতে ফের মুখ খুলল জার্মানি। তবে দিল্লির চাপে সুর নরম করে সেদেশের বিদেশমন্ত্রক জানায়, “প্রত্যেকের মৌলিক অধিকার আর স্বাধীনতা নিশ্চিত করে ভারতীয় সংবিধান। এশিয়ায় আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু ভারতও এই মানবাধিকারের আদর্শগুলো পালন করে। দুই দেশের মধ্যে বিশ্বাসের সম্পর্ক রয়েছে। আরও একবার মনে করিয়ে দিতে চাই, একযোগে কাজ করতে আগ্রহী দুই দেশ।” তবে এদিনের দীর্ঘ বিবৃতিতে একবারও কেজরিওয়ালের নাম উল্লেখ করেনি জার্মানি।

[আরও পড়ুন: কেজরি ইস্যুতে অনড় থেকে এবার কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ নিয়েও ‘খোঁচা’ আমেরিকার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.