Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Epstein Files

এপস্টেইন কাণ্ডে রাগ! ট্রাম্পকে খুন করতে গিয়েছিলেন তাঁরই সমর্থক, দাবি বন্দুকবাজের পরিবারের

আমেরিকার ফ্লোরিডায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিসর্টে যে বন্দুকবাজ হানা দিয়েছিলেন, তিনি আসলে মার্কিন প্রেসিডেন্টেরই সমর্থক। তদন্তে নেমে এমনটাই জানতে পারলেন পুলিশ আধিকারিকেরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১৩:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১৩:১৩

options
link
এপস্টেইন কাণ্ডে রাগ! ট্রাম্পকে খুন করতে গিয়েছিলেন তাঁরই সমর্থক, দাবি বন্দুকবাজের পরিবারের zoom
(বাঁ দিকে) নিহত সেই বন্দুকবাজ অস্টিন টাকার মার্টিন (২১)। ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে)।
Advertisement

আমেরিকার ফ্লোরিডায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিসর্টে যে বন্দুকবাজ হানা দিয়েছিলেন, তিনি আসলে মার্কিন প্রেসিডেন্টেরই সমর্থক। তদন্তে নেমে এমনটাই জানতে পারলেন পুলিশ আধিকারিকেরা। তদন্তে এ-ও উঠে এসেছে, এপস্টেইন ফাইলের (Epstein Files) সদ্যপ্রকাশিত নথি পড়ার পর থেকেই ট্রাম্পের উপর রাগ তৈরি হয়েছিল তাঁর মনে। তদন্তকারীদের অনুমান, সেই রাগ থেকেই প্রেসিডেন্টকে খুনের পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। তবে রিসর্টে প্রবেশের সময়েই তাঁকে গুলি করেন নিরাপত্তারক্ষীরা। তাতেই নিহত হন আগন্তুক।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত বন্দুকবাজের নাম অস্টিন টাকার মার্টিন (২১)। রবিবার সকালে ঘটনাটি ঘটে। পাম বিচে অবস্থিত মার-এ-লাগো রিসর্টে উত্তর দিকের গেট দিয়ে ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন মার্টিন। সেই সময় প্রথমে তাঁকে বাধা দেওয়া হয়। তার পরেও তিনি প্রবেশের চেষ্টা করায় তাঁকে গুলি করেন সিক্রেট সার্ভিসের এক এজেন্ট এবং পাম বিচ কাউন্টির ডেপুটি শেরিফ।

Advertisement

মার্টিনের এই কাণ্ডে হতভম্ব তাঁর পরিবারের লোকেরা। তুতো ভাই ব্রেডন ফিল্ডস জানান, তিনি বিশ্বাসই করতে পারছেন না, মার্টিন এ কাজ করতে পারেন। ব্রেডন বলেন, “আমাদের গোটা পরিবারই ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থক। তবে মার্টিন কখনও এ বিষয়ে খুব বেশি সরব ছিল না। ও বরাবর চুপচাপই থাকত। কিন্তু ও এ কাজ করতে পারে, এটা কল্পনাও করতে পারছি না।”

তবে মার্টিনের সহকর্মীদের দাবি, তিনি ট্রাম্পেরই সমর্থক। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বহুবার কথাও হয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি এপস্টেইন ফাইলের যে নথি প্রকাশ্যে এসেছে, তা দেখে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন মার্টিন। অভিযুক্তদের উপর রাগ চড়ে গিয়েছিল তাঁর মাথায়। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, সম্প্রতিই এক সহকর্মীকে মার্টিন ব্যক্তিগত বার্তায় লিখেছিলেন, “আমি জানি না, তুমি এপস্টেইন ফাইলস পড়েছো কি না। এরা (অভিযুক্তেরা) সকলে শয়তান!” কিন্তু মার্টিন কাউকে প্রাণ মারার পরিকল্পনা করেছিল, তা মানতে পারছেন না ব্রেডন। তিনি বলেন, “ও তো পিঁপড়েও মারতে পারে না। বন্দুক কীভাবে চালাতে হয়, তা-ই জানে না।”

প্রসঙ্গত, অতীতেও ট্রাম্পের উপর হামলার চেষ্টা হয়েছে। সিক্রেট সার্ভিস জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ১৩ জুলাই পেনসিলভ্যানিয়ায় ভোটের প্রচারে গিয়ে হামলার মুখে পড়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। অভিযোগ, সেই দিন ট্রাম্পকে রীতিমতো প্রাণে মারার ছক কষা হয়েছিল। ঘটনায় জখমও হয়েছিলেন তিনি। এর পর ওই বছরই ১৫ সেপ্টেম্বর ট্রাম্পের ওয়েস্ট পাম বিচের গল্ফ কোর্সে রাইফেল হাতে এক বন্দুকবাজ ঢুকে পড়েছিলেন। সেই সময় গল্ফ খেলছিলেন ট্রাম্প। চলতি মাসের শুরুতেই সেই বন্দুকবাজকে যাবজ্জীবন কারাবাসের নির্দেশ দিয়েছে আমেরিকার আদালত।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.