Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

হাসিনার উপর গ্রেনেড হামলার মামলায় ৪৯ জনের মৃত্যুদণ্ডের দাবি

মূল অভিযুক্ত তারেক রহমান ও লুৎফুজ্জামান বাবর-সহ ৪৯ জন আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চায় রাষ্ট্রপক্ষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৮, ১৩:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৮, ১৩:৩৮

options
link
হাসিনার উপর গ্রেনেড হামলার মামলায় ৪৯ জনের মৃত্যুদণ্ডের দাবি zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: প্রায় দশ বছর আগে পয়লা আগস্ট ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর গ্রেনেড হামলার দু’টি মামলায় মূল অভিযুক্ত তারেক রহমান ও লুৎফুজ্জামান বাবর-সহ ৪৯ জন আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। সোমবার রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি সৈয়দ রেজাউর রহমান আইনগত বিষয়ে যথেষ্ট যুক্তি দিয়ে এই শাস্তির দাবি তোলেন।

[কী কী ঘটবে ২০১৮-তে? জনপ্রিয় এই গণৎকারের ভবিষ্যদ্বাণী জেনে নিন]

গত ২৭ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ ২৪৫ জনের সাক্ষ্য পর্যবেক্ষণের নিরিখে যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছিল। সোমবার আসামি পক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষ আইনগত যুক্তি-তর্ক পেশের জন্য দিন ধার্য ছিল। আসামি পক্ষ সময় চেয়ে আবেদন করায় আদালত তা মঞ্জুর করে মঙ্গলবার পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করে। পুরানো ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে সাবেক ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত বিশেষ এজলাসে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের দুই মামলার বিচারপ্রক্রিয়া চলছে। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদার আমলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামি লিগের জনসভায় গ্রেনেড হামলায় প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের পত্নী ও মহিলা লিগের সভাপতি আইভি রহমান-সহ ২২ জন নিহত এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-সহ শাসকদল আওয়ামি লিগের শতাধিক নেতা-কর্মী জখম হন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ১৭ বার হত্যার চেষ্টা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা হল বিএনপি-জামাতে ইসলামি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার আমলে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে গ্রেনেড হামলা। ওই হামলায় মহিলায় জখম হন শেখ হাসিনা-সহ শত শত নেতা-কর্মী। শেখ হাসিনাকে পরে বিদেশে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। অল্পের জন্য শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও গ্রেনেডের প্রচণ্ড শব্দে তার শ্রবণশক্তির আংশিক ক্ষতি হয়।

Advertisement

[পরমাণু অস্ত্র আমার মুঠোয়, ফের আমেরিকাকে চ্যালেঞ্জ কিমের]

এই ঘটনায় আওয়ামি লিগের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করতে গেলে পুলিশ প্রথমে সে মামলা নেয়নি। তার আগে পুলিশই বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। তৎকালীন সরকার মামলার তদন্ত অন্য খাতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। নোয়াখালির গ্রাম থেকে জজ মিয়া নামের এক যুবককে ধরে নিয়ে এসে আদালতে মিথ্যা জবানবন্দি আদায় করা হয় বলে অভিযোগ। ২০০৭ সালে তদারকি সরকার এসে মামলাটির নতুন করে তদন্ত শুরু করে এবং একের পর এক সত্য বেরিয়ে আসতে থাকে। পরে আওয়ামি লিগ ক্ষমতায় এসে তদন্ত চালিয়ে সম্পূর্ণ অভিযোগপত্র জমা দেয়। এতে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার পুত্র ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, খালেদার উপদেষ্টা হারিছ চৌধুরি-সহ ৪৯ জন আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

[বরফের চাদরে ঢেকেছে সুবিশাল নায়গ্রা ফলস, দেখুন ভিডিও]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.