Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
S Jayshankar

‘আশা করি আমেরিকা বুঝতে পেরেছে’, কানাডা বিতর্কে সাফ কথা জয়শংকরের

কানাডা কাঁটায় বিদ্ধ হচ্ছে ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৩, ১২:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৩, ১২:৪২

options
link
‘আশা করি আমেরিকা বুঝতে পেরেছে’, কানাডা বিতর্কে সাফ কথা জয়শংকরের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কানাডা কাঁটায় বিদ্ধ হচ্ছে ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক! খলিস্তানি বিতর্কে হোয়াইট হাউসের অবস্থান নিয়ে খুব একটা সন্তুষ্ট নয় নয়াদিল্লি। যার আভাস পাওয়া গেল বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের কথায়। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, ভারতের মতামত নিয়ে আমেরিকার যা বোঝার বুঝে নিয়েছে। তাহলে কী মনোমালিন্য বাড়ছে দুই মিত্র দেশের মধ্যে? উঠছে সেই প্রশ্ন। 

শুক্রবার ওয়াশিংটনে (Washington) এক সাংবাদিক সম্মেলনে জয়শংকর বলেন, “আমি শুনেছি আমেরিকা কী মতামত দিয়েছে। আশা করছি আমি কী বলেছি সেটাও ওয়াশিংটন বুঝতে পেরেছে। দুদেশই নিজেদের চিন্তাধারা সম্পর্কে অবগত। এর থেকে বেশি কিছু আমার বলার নেই।” এর পর তিনি খলিস্তান প্রসঙ্গে ফের সুর চড়ান। জয়শংকর স্পষ্ট জানান, “কানাডা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আখড়া হয়ে উঠেছে। যা খুবই উদ্বেগজনক। আমাদের উচিত এই নিয়ে প্রশ্ন তোলা। ভারত সব সময় এর বিরোধিতা করবে। আমেরিকা যখন কানাডা নিয়ে কথা বলে তখন তাদের দৃষ্টিভঙ্গি অন্যরকম থাকে। আমরা যখন কানাডা নিয়ে কথা বলি তখন আমরা অনেক কিছু খুঁজে পাই। এনিয়ে আমেরিকানদের সঙ্গে কথা বলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তাদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক দৃঢ়।” এখানেই বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, আমেরিকার সঙ্গে ভারতের যতই মজবুত সম্পর্ক হোক না কেন, দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বাইডেন প্রশাসনের নাক গলানো মোটেই ভালোভাবে নিচ্ছে না নয়াদিল্লি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘প্রকাশ্যে ধমকানো হচ্ছে ভারতীয় কূটনীতিবিদদের’, কানাডা কাণ্ডে সরব জয়শংকর]

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রসংঘে কানাডা প্রসঙ্গ নিয়ে সরব হয়েছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর (S Jayshankar)। এই প্রেক্ষাপটে তিনি বৈঠকে বসেন মার্কিন বিদেশ সচিব অ‌্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে। জল্পনা ছিল তাঁদের বৈঠকে উঠতে পারে কানাডা প্রসঙ্গ। প্রথমে শোনা যায়, তাঁদের বৈঠকে নাকি কানাডা নিয়ে কোনও কথাই হয়নি। সাংবাদিক সম্মেলনে খলিস্তান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে এড়িয়ে যান মার্কিন বিদেশ সচিব। কিন্তু পরে জানা যায় তাঁদের মধ্যে কানাডার (Canada) তোলা অভিযোগ নিয়ে কথা হয়েছে। এই বিষয়ে ব্লিঙ্কেন নিজেই জানিয়েছেন, ভারতের বিরুদ্ধে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো যে অভিযোগ তুলেছেন তা খুবই গুরুতর। আমেরিকা এনিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন।

বলে রাখা ভালো, আমেরিকা আগেই খলিস্তানি বিতর্কে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। তাদের সাফ বার্তা কানাডার অভিযোগ যদি সঠিক প্রমাণিত হয় তাহলে এই ঘটনার নেপথ্যে যারা রয়েছে তাদের বিচারব্যবস্থার সম্মুখীন হতে হবে। পাশাপাশি হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে ভারতকে অনুরোধ জানানো হয়, কানাডাকে তদন্তে সহযোগিতা করার। বিশ্লেষকদের মতে, কানাডা ও ভারত কোনও দেশের সঙ্গেই সম্পর্ক খারাপ করতে চাইছে না ওয়াশিংটন। কারণ দুদেশের সঙ্গেই আমেরিকার রাজনৈতিক, সামরিক ও ব্যবসায়িক স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে।

[আরও পড়ুন: বৈঠকে ব্লিঙ্কেন-জয়শংকর, উঠলই না কানাডা প্রসঙ্গ!]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.