যুদ্ধের আগুনে জ্বলছে ইরান। তেহরানের প্রত্যাঘাতে লন্ডভন্ড গোটা মধ্যপ্রাচ্য। যতদিন যাচ্ছে আরও ভয়ংকর হচ্ছে যুদ্ধের ঝাঁজ। এই পরিস্থিতিতে ইরান যুদ্ধ নিয়ে মুখ খুলল ইজরায়েল (Israel Iran War)। ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সার সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তাদের লক্ষ্য ইরানের ‘রিজিম চেঞ্জ’ বা শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে গিডিয়ন বলেন, “এই মুহূর্তে আমাদের একটাই লক্ষ্য। ইরানের রাজনৈতিক এবং সামরিক উভয় শাসন ব্যবস্থারই পরিবর্তন করা। তার জন্য আমাদের যতদূর এগোতে হয়, আমরা এগোব। তবে আমার মনে হয়, এই যুদ্ধ লম্বা চলবে। এখনই শেষ হওয়ার নয়। ইরানের জনগণই শেষ কথা বলবে। আমরা শুধু তাঁদের সুযোগ করে দিচ্ছি।” এই অভিযানকে গিডিয়ন ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ হিসাবেও বর্ণনা করেছেন।
প্রসঙ্গত, পঞ্চম দিনেও ধুন্ধুমার যুদ্ধের সাক্ষী গোটা মধ্যপ্রাচ্য। নতুন করে বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন সেনা ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান। যদিও বিপদ ঘটানোর আগেই ড্রোনটিকে গুলি করে নামানো হয়েছে। কেউ হতাহত হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। ইরাকের পাশাপাশি প্রতিবেশী কুয়েত, সৌদি আরব, আরব আমিরশাহী, বাহরিন, ওমান, জর্ডনে নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে ইরান। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, ক্রমশ বন্ধু রাষ্ট্রগুলিকেও শত্রুতে পরিণত করছে তেহরান। ইতিমধ্যে সৌদি আরব পালটা হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
অন্যদিকে ইরানে লাগাতার হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েল ও আমেরিকাও। দেশটির নিরাপত্তা সংক্রান্ত দপ্তর এবং একটি মিশাইল লঞ্চার গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইজরায়েল। যুদ্ধে শুধু ইরানেই এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে এক হাজারের বেশি মানুষের। তথ্য বলছে, গত পাঁচদিন ইরান ৫০০ ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং ২০০০ ড্রোন হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে ইরানে ২০০০-এর বেশি টার্গেটে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা ও ইজরায়েল।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
জন্ম থেকে দলের ‘মালিকানা’ বদল, মমতার তৃণমূলের ২৮ বছরের ইতিবৃত্ত
-
জিনিয়াস স্পোর্টস নয়, আইএসএল আয়োজনের অধিকার খুব সম্ভবত পেতে চলেছে ক্লাবগুলি
-
ফেডারেশনের বৈঠকে রণক্ষেত্র টলিপাড়া, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর বিরুদ্ধে ‘চোর চোর’ স্লোগানে ছোঁড়া হল ডিম
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়



