Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
IMF

২০২৩ সালে বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধির অর্ধেকই হবে ভারত-চিনে! চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট IMF-এর

আগামী পাঁচ বছরে গভীর সংকটে পড়তে চলেছে বিশ্ব অর্থনীতি, পূর্বাভাস IMF-এর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০২৩, ০৯:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০২৩, ০৯:৪৮

options
link
২০২৩ সালে বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধির অর্ধেকই হবে ভারত-চিনে! চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট IMF-এর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২৩ এবং আগামী ৫ বছর বিশ্ব অর্থনীতির (World Economy) দুর্দশা আরও ঘনীভূত হবে। অর্থনীতির অধঃপতন এতটাই বাড়তে চলেছে, যে বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধির হার ২০২১ সালের ৬.১ শতাংশ থেকে সোজা ৩ শতাংশের নিচে নেমে আসতে পারে। এমনটাই দাবি আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের। তবে একই সঙ্গে চলতি অর্থবর্ষে বিশ্ব অর্থনীতির উজ্বল বিন্দু হতে পারে ভারত এবং চিন, বলছে IMF।

আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভার সতর্কবার্তা, প্রথমে করোনা ভাইরাস এবং পরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে বিশ্ব অর্থনীতির যে অধঃপতন শুরু হয়েছিল, সেটা চলতি অর্থবর্ষেও চলবে। মন্থর আর্থিক বৃদ্ধির এই সময়কাল আরও দীর্ঘায়িত হতে চলেছে। IMF-এর পূর্বাভাস, আগামী পাঁচ বছর বিশ্ব অর্থনীতির বৃদ্ধি ৩ শতাংশেরও কম হতে চলেছে। ১৯৯০ সালের পর এটাই IMF-এর সর্বনিম্ন বৃদ্ধির পূর্বাভাস। IMF বলছে, এই মন্থর গতির উন্নয়ন বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বিরাট ধাক্কা হতে চলেছে। বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলি এর ফলে ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হতে চলেছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: এবার শুনানির সরাসরি সম্প্রচার দেখবেন সাধারণ মানুষ, যুগান্তকারী পদক্ষেপ হাই কোর্টে]

তবে, এই দুঃসময়ের মধ্যেও আশার আলো হয়ে দেখা দিতে পারে ভারত এবং চিন। IMF-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর বলছেন, এই উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলি বিশ্ব অর্থনীতিকে গতি দিতে পারে। দুঃসময়ের মধ্যে এশিয়া উজ্বল বিন্দু হিসাবে দেখা দিচ্ছে। ভারত এবং চিন। ২০২৩ সালে বিশ্ব অর্থনীতির মোট বৃদ্ধির অর্ধেকই হতে চলেছে এই দুই দেশের সৌজন্যে।

[আরও পড়ুন: ৫০ লক্ষ কোটির বাজেট পাশ মাত্র ১২ মিনিটে! ‘অকেজো’ সংসদ নিয়ে কেন্দ্রকে তোপ খাড়গের]

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে গোটা বিশ্বের সার্বিক বৃদ্ধি ছিল ৬.১ শতাংশ। সেটা ২০২২ সালে নেমে দাঁড়ায় ৩.৪ শতাংশ। IMF বলছে, আগামী ৫ বছরে সেটা আরও কমে ৩ শতাংশের নিচে নেমে যেতে পারে। এই মন্দার বাজার ভারতের জন্য আগামী কয়েক বছরে নিজেদের ‘সুপার পাওয়ার’ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার সুবর্ণ সুযোগ হতে পারে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.