Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
IMF

ঋণ দিলেও সন্দেহের ভ্রূকুটি! পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাজেটে কোপ মেরে ১১ দফা শর্ত IMF-এর

ঋণ দিলেও পাকিস্তানের গলায় বেল্ট পরিয়ে খুঁটিতে বাঁধল আইএমএফ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০২৫, ১৬:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০২৫, ১৬:১৪

options
link
ঋণ দিলেও সন্দেহের ভ্রূকুটি! পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাজেটে কোপ মেরে ১১ দফা শর্ত IMF-এর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঋণ মঞ্জুর হলেও পাকিস্তানের গলায় বেল্ট পরিয়ে খুঁটিতে বাঁধল আন্তর্জাতিক আর্থিক তহবিল বা আইএমএফ। বরাদ্দ টাকা পাকিস্তান আগের মতোই কুকর্মে ব্যবহার করতে পারে, এই আশঙ্কায় প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়ার আগে ১১ দফা শর্ত চাপাল আইএমএফ। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাজেটও নির্ধারিত করে দেওয়া হয়েছে ওই আন্তর্জাতিক সংস্থার তরফে। ফলে চাইলেও তা বাড়াতে পারবেন না শাহবাজ শরিফ, আসিফ মুনিররা।

ভারতের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও পাকিস্তানকে ৮৫০০ কোটির ঋণ দিয়েছে আন্তর্জাতিক আর্থিক তহবিল আইএমএফ। ভারতের তরফে এই ঋণের তীব্র বিরোধিতা করে যুক্তি দেওয়া হয়, পাকিস্তান এর আগেও বারবার আইএমএফের থেকে ঋণ নিয়েছে। কিন্তু সেই অর্থে সংস্কারের তেমন কিছুই করা হয়নি। দ্বিতীয়ত, ওই বিপুল অর্থ সন্ত্রাসে মদত দিতে ব্যবহৃত হবে। সুতরাং ঋণ না পেলে সেটা ব্যাহত হবে। তবে আমেরিকা-সহ বেশকিছু দেশের সমর্থনে এই ঋণ পেয়ে যায় পাকিস্তান। তবে এই ভিখারির দেশ যে সুবিধাজনক নয় তা বুঝতে পেরে ১১ দফা শর্ত চাপানো হয়েছে আইএমএফের তরফে। পাকিস্তানের অর্থনৈতিক শ্রীবৃদ্ধির জন্য চাপানো উল্লেখযোগ্য এই শর্তগুলির মধ্যে রয়েছে, আগামী অর্থবর্ষে ১৭.৬ ট্রিলিয়ন পাকিস্তানি টাকার নতুন বাজেটের সংসদ অনুমোদন, বিদ্যুৎ বিল ও ঋণ পরিষেবার ক্ষেত্রে সারচার্জ বৃদ্ধি এবং তিন বছরের বেশি পুরনো গাড়ি আমদানির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া। পাশাপাশি ২০২৭ সালের মধ্যে সমস্ত আর্থিক পরিকল্পনা জনসমক্ষে আনতে হবে পাকিস্তানকে। বরাদ্দ টাকার সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না সেই রিপোর্ট দিতে হবে যাতে কোনওভাবেই এই টাকা অন্য কোনও খাতে ব্যবহৃত না হয়।

Advertisement

এছাড়া আইএমএফের প্রতিবেদনে আগামী অর্থবছরের জন্য পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাজেট ২.৪ ট্রিলিয়ন পাকিস্তানি টাকা রাখা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ১২ শতাংশ বেশি। এদিকে অপারেশন সিঁদুরের পর নিজেদের প্রতিরক্ষা বাজেট ১৮ শতাংশ করার বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তবে আইএমএফের নির্দেশ অনুযায়ী শাহবাজ শরিফের সরকার তা আর বাড়াতে পারবে না। এই ১১ শর্তের পাশাপাশি পূর্বে চাপানো ৫০টি শর্তও মানতে হবে পাকিস্তানকে।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের অর্থনীতির কোমর ভেঙেছে বহু আগেই। গত কয়েক বছর ধরে আইএমএফের ঋণের উপর টিকে রয়েছে শাহবাজের দেশ। সেই ধারা অব্যাহত রেখে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে ফের আইএমএফের কাছে গিয়েছিল ইসলামাবাদ। ঋণ মঞ্জুর হলেও পাকিস্তানের গলায় বেল্ট পরিয়ে খুঁটিতে বাঁধল আইএমএফ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.