Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

ভাঙল অচলায়তন, প্রথমবার সৌদিতে ব্যাংকের শীর্ষপদে এক মহিলা

মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে প্রভাবশালী মহিলাও তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০১৮, ১১:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০১৮, ১১:০৯

options
link
ভাঙল অচলায়তন, প্রথমবার সৌদিতে ব্যাংকের শীর্ষপদে এক মহিলা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গাড়ি চালানো, প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে ছবি দেখা এমনকী স্টেডিয়ামে গিয়ে খেলা দেখার অনুমতি মিলেছিল আগেই। এবার আরও এক ধাপ এগিয়ে সৌদি আরবে নারীর হাতে ন্যস্ত হল গোটা একটা ব্যাংক পরিচালনার দায়িত্ব। এই প্রথম সে দেশে ব্যাংক পরিচালনার ভার পালন করবেন একজন নারী। নাম লুবনা আল ওলাইয়ান।

[অমৃতসরের দুর্ঘটনায় মৃত বেড়ে ৬০, শোকপ্রকাশ কানাডার প্রধানমন্ত্রীর]

Advertisement

সৌদি-ব্রিটিশ ব্যাংক এসএবিবি এবং আলাওয়াল ব্যাংক জোটবদ্ধ হয়ে তৈরি হতে চলেছে নতুন একটি ব্যাংক। সেই ব্যাংকেরই প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পেতে চলেছেন লুবনা। যিনি আদপে পেশায় ব্যবসায়ী। বর্তমানে লুবনা পারিবারিক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। সেখানেও অবশ্য তিনি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রধান। ইতিমধ্যেই ফোবর্স পত্রিকার বিচারে ২০১৮-য় মধ্য প্রাচ্যের সবচেয়ে প্রভাবশালী নারীর তালিকায় নাম উঠে এসেছেন লুবনা। সেখানে এ-ও বলা হয়েছে যে, ভবিষ্যতে ব্যাংকিং  শিল্পে সৌদি আরবের নারীজগতে পথিকৃৎ হিসাবে উঠে আসবেন আমেরিকায় পড়াশোনা করা এই মেধাবিনী। তবে ব্যাংক পরিচালনার গুরু দায়িত্ব সামলানোর অভিজ্ঞতা লুবনার ক্ষেত্রে নতুন নয়। এর আগে ২০১৪ সাল থেকে লুবনা আলাওয়াল ব্যাংকের ডেপুটি চেয়্যারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। আরবের বাণিজ্য জগতেও লুবনার নাম অতি পরিচিত।

প্রসঙ্গত, এসএবিবি এবং আলাওয়াল ব্যাংক যেভাবে একত্রিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ নতুন ব্যাংক  গঠন করতে চলেছে, সেটি সৌদির তৃতীয় বৃহত্তম ব্যাংকে পরিণত হবে বলেই পূর্বাভাস বাজার বিশেষজ্ঞদের। তাঁদের মতে, এই ব্যাংকের মূলধন দাঁড়াতে পারে ১৭.২ বিলিয়ন ডলারে। এই ব্যাংকের আংশিক মালিকানায় থাকবে বহুল পরিচিত বহুজাতিক ব্যাংক এইচএসবিসিও। কিন্তু দেশটা যেহেতু সৌদি আরব, সেই কারণেই লুবনার মতো নারীর অবদানকে কুর্নিশ না জানিয়ে উপায় নেই। এমনিতেই সে দেশ মহিলাদের প্রতি চূড়ান্ত গোঁড়া ভাবমূর্তি রাখার জন্য কুখ্যাত। সে দেশে রক্ষণশীলতার নজির এমনই যে কয়েক দশক ধরে সেখানকার নারীরা গাড়ি চালানোর অধিকার পর্যন্ত পেতেন না। তাঁদের নামে ড্রাইভিং লাইসেন্স রুজু হত না। তাঁরা কোনও সিনেমা হলে গিয়ে সিনেমা দেখতে পারতেন না। এমনই সব বহুবিধ নিয়ম-নীতির বেড়াজালে আবদ্ধ থাকতে হত তাঁদের। পরিবর্তনটা এনেছিলেন সৌদি যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমন। তাঁর প্রদর্শিত ‘ভিশন ২০৩০’-এর অংশ হিসাবেই এক এক করে শিথিল হয়েছে সৌদির নারীদের উপর চাপিয়ে দেওয়া ‘না’-এর বোঝার ভার।

[মার্কিন ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন! বিপাকে ১০ হাজার ভারতীয়]

‘ভিশন ২০৩০’-এর আওতা নারীদের ক্ষমতায়নে সৌদি আরবে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করা হয়েছে। আর তারই বলে একটু হলেও স্বাধীনতার আস্বাদ পেয়েছেন সৌদির নারীরা।তাৎপর্যপূর্ণভাবে, ব্যাংক পরিচালনার দায়িত্বে লুবনা এলেও এখনও পর্যন্ত সে দেশে কোনও নারী নিজে থেকে গিয়ে ব্যাংক হিসাব খুলতে পারেন না। তার জন্য এখনও সেখানে নারীদের অভিভাবকদের অনুমতি নিতে হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.