Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
India-US Trade

পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই অংশ, বাণিজ্যচুক্তির ঘোষণার পর মানচিত্র প্রকাশ ট্রাম্পের, বার্তা চিনকেও

বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে যৌথ বিবৃতির পরেই সমগ্র ভারতীয় ভূখণ্ডকে চিহ্নিত করে একটি মানচিত্র প্রকাশ করল আমেরিকার ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। সেখানে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারতের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ১৩:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ১৩:০৬

options
link
পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই অংশ, বাণিজ্যচুক্তির ঘোষণার পর মানচিত্র প্রকাশ ট্রাম্পের, বার্তা চিনকেও zoom
ভারতের এই মানচিত্র (ডান দিকে)-ই প্রকাশ করেছে আমেরিকা।

বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে যৌথ বিবৃতির পরেই সমগ্র ভারতীয় ভূখণ্ডকে চিহ্নিত করে একটি মানচিত্র প্রকাশ করল আমেরিকার ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। সেখানে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারতের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। লক্ষণীয়, তার মধ্যে পাকিস্তানের অবৈধ ভাবে দখল করা অংশ বা পাক-অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে)-ও রয়েছে।

ভারত সার্বভৌম রাষ্ট্র। কেন্দ্রীয় সরকার বরাবর স্পষ্ট জানিয়ে এসেছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই আলাদা করে আমেরিকা তাতে সম্মতি প্রকাশ করল কি না, তাতে কিছুই নির্ভর করে না। প্রসঙ্গত, যে আকসাই চিনকে বেজিং নিজেদের অংশ বলে দাবি করে, তা-ও রয়েছে ভারতের সেই মানচিত্রে। আমেরিকার প্রকাশিত এই মানচিত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলের ব্যাখ্যা, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ওয়াশিংটন ইঙ্গিত দিয়েছে যে, সে দেশের নেতৃত্ব ভারতের দাবির সঙ্গে সহমত।

Advertisement

গত বছর ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার সময় কাশ্মীর প্রসঙ্গ টেনে এনেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। জানিয়েছিলেন, কাশ্মীর সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তিনি দুই দেশের সঙ্গে কথা বলতে প্রস্তুত। যদিও নয়াদিল্লি বরাবর জানিয়ে এসেছে, কাশ্মীর দ্বিপাক্ষিক বিষয়। এক্ষেত্রে তারা আন্তর্জাতিক মহলের হস্তক্ষেপ চায় না। ঘটনাচক্রে, সীমান্তে ভারত-পাকিস্তানের সেই সংক্ষিপ্ত টানাপড়েনের পরেই নানা কারণে নয়াদিল্লির সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্কের অবনতি হয়। ভারতীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়ে দেন ট্রাম্প। যার জেরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনাও থমকে গিয়েছিল। নয়াদিল্লি এবং ওয়াশিংটনের সেই সম্পর্কে খানিক উন্নতি হতেই এবার বিড়ম্বনায় পড়ল পাকিস্তান।

শুধু বিড়ম্বনা নয়, আন্তর্জাতিক স্তরে পাকিস্তান খানিক চাপে পড়ল বলেও মনে অনেকে। কারণ, তাঁদের মত, ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কে যখন চাপানউতর চলছিল, সেই সময় ওয়াশিংটনের সঙ্গে সখ্য বাড়ানোর নানা রকম চেষ্টা করেছিলেন পাকিস্তান। হোয়াইট হাউসে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করে এসেছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সে দেশের সেনাপ্রধান আসিম মুনির। কিন্তু তাতে যে বিশেষ লাভ হয়নি, এই ঘটনায় তা-ই স্পষ্ট হয়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.