২ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুইস ব্যাংকে ভারতীয়দের গচ্ছিত টাকার অঙ্ক গত বছরের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ কমে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১.৮ বিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ বা ভারতীয় মুদ্রায় ১২,৬১৫ কোটি টাকা। সে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের সাম্প্রতিক রিপোর্টে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। সুইস ব্যাংকে ভারতীয়দের গচ্ছিত টাকার নিরিখে এটা দ্বিতীয় সর্বনিম্ন অঙ্ক।

[আরও পড়ুন: সুইস ব্যাংকে ৫০ শতাংশ কালো টাকা বৃদ্ধির অভিযোগ ভুল, দাবি পীযূষ গোয়েলের]

অবশ্য, গত ২ বছরের তুলনায় এই আমানতের পরিমাণ ১০ শতাংশ কমলেও, ২০১৩ সালের অর্থের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে। যদিও সুইস ব্যাংকের বিদেশিদের অর্থ জমার পরিমাণ ২০১৪ সালে বেড়ে ১.৫ ট্রিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ১০৩ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে। ২০১২ সালে সুইস ব্যাংকে ভারতীয়দের টাকার পরিমাণ প্রায় এক তৃতীয়াংশ কমে সর্বনিম্ন ১.৪২ বিলিয়ন ফ্রাঁতে পৌঁছায়। সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, সুইস ব্যাংকে ভারতীয়দের এককভাবে অথবা সংস্থা মারফত জমা অর্থ রয়েছে ১,৭৭৬ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ অথবা ১২,৩৫০ কোটি। এবং ওয়েল ম্যানেজার মারফত রয়েছে ৩৮ মিলিয়ন ফ্রাঁ।

ভারতীয়দের জমা কমার ফলে সার্বিক ব়্যাংকিংয়ে এক ধাপ অবনতি হয়েছে। গত বছর ভারত যেখানে সুইস ব্যাংকে বিদেশিদের জমা করা আমানতের ভিত্তিতে ৭৩ তম স্থানে ছিল, এবছর সেখানে ভারতের স্থান ৭৪। সুইস ব্যাংকে জমা টাকার শতাংশের নিরিখেও এক্কেবারে নিচের দিকেই রয়েছে ভারত। সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সে দেশের ব্যাংকগুলিতে যে বিদেশি মুদ্রা জমা রয়েছে তাঁর মাত্র ০.০৭ শতাংশ ভারতীয়দের। এই তালিকায় সবার শীর্ষে ইংল্যান্ড। সুইস ব্যাংকের মোট আমানতের প্রায় ২৬ শতাংশ আমানত ব্রিটেন থেকে আসে। এই আমানতের নিরিখে চিন রয়েছে ২২ তম স্থানে।

[আরও পড়ুন: আরও বিপাকে নীরব মোদি, সুইস ব্যাংকের ৪টি অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করল ইডি]

মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার আগে সুইস ব্যাংক থেকে কালো টাকা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু সরকারের প্রথম পাঁচ বছরে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি, বরং সুইস ব্যাংকে জমা আমানতের পরিমাণ আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছিল। তবে, দ্বিতীয় মোদি সরকারের পথচলা শুরুর সঙ্গে সঙ্গে এল সাফল্যের খবর।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং