Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
India doctor UK

ঝিমুনির ওষুধ দিয়ে রোগীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক! ব্রিটেনে ফাঁস ভারতীয় চিকিৎসকের ‘কুকীর্তি’

অপারেশনের পর থেকে চিকিৎসকের সঙ্গে রোগিণীর ঘনিষ্ঠতা বাড়তে শুরু করে। ওই রোগিণীর শারীরিক অবস্থা এতটাই জটিল ছিল যে অন্য কোনও চিকিৎসকের যোগ্যতা ছিল না তাঁকে সারিয়ে তোলার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২৬, ২০:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২৬, ২০:০০

options
link
ঝিমুনির ওষুধ দিয়ে রোগীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক! ব্রিটেনে ফাঁস ভারতীয় চিকিৎসকের ‘কুকীর্তি’ zoom
ছবি এআই দ্বারা নির্মিত।
Advertisement

চিকিৎসা করতে গিয়ে প্রেম। সেখান থেকে লাগাতার শারীরিক সম্পর্ক এবং তিক্ততা। তার জেরে দিনের পর দিন ঝিমুনির ওষুধ দিতেন রোগীকে! ইংল্যান্ডে বসে এমনই কাণ্ড ঘটিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক চিকিৎসক। প্রায় একবছর ধরে চলে এসেছে এই কীর্তি। এমন ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য বিলেতে। 

অভিযুক্ত চিকিৎসকের নাম চিরাগ প্যাটেল। ওয়েলসের কার্ডিফ ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে নিউরোসার্জেন হিসাবে ২০১৮ থেকে কর্মরত ছিলেন তিনি। সেখানেই ২০১৯ সালে চিকিৎসা করাতে যান এক মহিলা। মেরুদণ্ডের কিছুটা অংশ নষ্ট হয়েছিল তাঁর। অপারেশন করে ওই বিকল অংশ বাদ দিতে হয়। জানা গিয়েছে, সবমিলিয়ে তিনবার ওই রোগিণীর অপারেশন করেছিলেন চিরাগ। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এই তিনটি অপারেশন হয়। ২০১৯ সালে দ্বিতীয় অপারেশনের পর থেকে চিরাগের সঙ্গে রোগিণীর ঘনিষ্ঠতা বাড়তে শুরু করে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ওই রোগিণীর শারীরিক অবস্থা এতটাই জটিল ছিল যে চিরাগ ছাড়া অন্য কোনও চিকিৎসকের যোগ্যতা ছিল না তাঁকে সারিয়ে তোলার। গোটা ওয়েলসে চিরাগ ছাড়া অন্য কোনও চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার উপায় ছিল না ওই রোগিণীর। চিকিৎসা চলাকালীনই দু’জনের মধ্যে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়। একটা সময়ের পর ওই রোগিণী ব্ল্যাকমেল করতে শুরু করেন চিরাগকে। তাঁদের সম্পর্কের কথা ফাঁস করে দেবেন বলে হুমকি দেন।

ব্ল্যাকমেলিং শুরু হতেই রোগিণীকে আফিমঘেঁষা ওষুধ দিতে শুরু করেন চিরাগ। হাসপাতালের সরকারি নথিপত্রে সেই ওষুধের উল্লেখও ছিল না। বছরতিনেক আগে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন ওই রোগিণী। পুলিশি তদন্ত না হলেও পরে মেডিক্যাল কাউন্সিলের ট্রাইব্যুনালে শুরু হয় চিরাগের বিচার। কাউন্সিলের রায়ে বলা হয়, পেশার সুযোগ নিয়ে চিরাগ দিনের পর দিন হেনস্তা চালিয়ে গিয়েছেন। এটা রোগীদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকির। ট্রাইব্যুনালের এই রায় আসার পরেই হাসপাতাল থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে চিরাগকে। তাঁকে ভারতে প্রত্যর্পণ করা হবে কিনা, জানা নেই।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.