Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Rishi Sunak

শুধু ভারত নয়, পাকিস্তান যোগও রয়েছে ঋষি সুনাকের!

সুনাক কার? সোশ্যাল মিডিয়ায় তুঙ্গে তরজা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৪, ২০২২, ১৯:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৪, ২০২২, ১৯:৩৪

options
link
শুধু ভারত নয়, পাকিস্তান যোগও রয়েছে ঋষি সুনাকের! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রথম অ-শ্বেতাঙ্গ প্রধানমন্ত্রী পেল ব্রিটেন। আর বিশ্ব দেখল ইতিহাসের আজব খেল। স্বাধীনতার সাড়ে সাত দশক পরেই ‘ফিরিঙ্গি’দের দেশে ‘কালা আদমি’র উত্থানে খুশি ভারত। তবে শুধু ভারত নয়, ব্রিটেনের হবু প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের রয়েছে পাকিস্তান যোগও!

জানা গিয়েছে, ঋষি সুনাকের (Rishi Sunak) ঠাকুরদার বাড়ি ছিল অবিভক্ত ভারতের গুজরানওয়ালায়। বর্তমানে জায়গাটি পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের অধীনে। ফলে সুনাকের শিকড় কিছুটা হলেও ছড়িয়ে রয়েছে পড়শি দেশটিতে। যদিও তাঁর উত্থানে নয়াদিল্লি বা ইসলামাবাদের কোনও অবদান সেই অর্থে নেই তবুও শিকড়ের টানই আজ বাঁধ ভাঙা আনন্দের রূপ নিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইতিহাস যে সাক্ষী দিচ্ছে তাতে দুই দেশই সুনাকের প্রতি দাবি জানাতে পারে। যদিও ৪২ বছরের সুনাক আদতে ব্রিটিশ নাগরিক। এবং স্বাভাবিকভাবে, সে দেশের স্বার্থে কাজ করাটাই তাঁর কাছে অগ্রাধিকার লাভ করবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আগ্রাসনে অভিযুক্ত সেনানায়কদের পদোন্নতি, ফের কি গালওয়ান চাইছেন জিনপিং?]

এদিকে, সুনাক কার? এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় তর্ক বেশ জমে উঠেছে। টুইটারে ‘Queen Lioness 86’ নামের এক ইউজার লেখেন, ‘সুনাকরা গুজরানওয়ালার পাঞ্জাবি ক্ষত্রী সম্প্রদায়ের মানুষ। ওই জায়গা এখন পাকিস্তানে। ১৯৩৫ সালে ঋষির প্রপিতামহ রামদাস সুনাক গুজরানওয়ালা ছেড়ে নাইরোবি চলে যান। সেখানে কেরানির চাকরি নেন তিনি।’ ওই ইউজার আরও জানান, গুজরানওয়ালা ছেড়ে শ্বাশুড়ির সঙ্গে দিল্লি চলে যান ঋষির প্রপিতামহী সুহাগরানি সুনাক। সেখান থেকে ১৯৩৭ সালে কেনিয়া চলে যায় তিনি। তবে আফ্রিকায় হিংসার ঘটনার পর ব্রিটেন চলে যান সুনাকরা। সাফাত শাহ নামের এক টুইটার ইউজারের বক্তব্য, ‘পাকিস্তানেরও ঋষি সুনাকের উপর দাবি জানানো উচিত। তবে অনেকেই আবার ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশের জন্যই এই ঘটনাকে ঐতিহাসিক বলে মনে করছেন। একজন লিখেছেন, ‘এবার সুনাক প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। আমাদের কোহিনুর ফেরত চাওয়া উচিত।’

উল্লেখ্য, দাদাভাই নওরোজি যেদিন জিতেছিলেন, তার ১২৩ বছর পরে, ২০১৫ সালে ব্রিটেনে আর-একটি সাধারণ নির্বাচন হয়। সেবারে ইয়র্কশায়ারে রিচমন্ড (ইয়র্কস) নির্বাচনী কেন্দ্র থেকে কনজারভেটিভ প্রার্থী হিসাবে জয়ী হয়েছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত তরুণ ঋষি সুনাক। সাউদাম্পটন শহরে জন্ম। এদেশের সবচেয়ে ঐতিহ্যশালী, অভিজাত স্কুলগুলির একটি, উইনচেস্টার কলেজে পড়াশোনা। তারপর অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। সেখান থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড। তাঁর বাবা সরকারি চিকিৎসক। মা ফার্মাসিস্টষ।ইনফোসিসের প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণ মূর্তির মেয়ে অক্ষতা মূর্তিকে বিয়ে করেছেন ঋষি। তাঁর দু’টি মেয়ে রয়েছে। তাদের নাম অনুষ্কা ও কৃষ্ণা।        

আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী পদের দৌড়ে জয়ী হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনাক। ব্রিটেনের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হলেন তিনি। এদিন টুইটারে প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন পেনি মরড্যান্ট। ২৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন সুনাক বলে খবর। শুধু অ-শ্বেতাঙ্গ হিসেবেই নয়, দেশের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও রেকর্ড তৈরি করেছেন ৪২ বছরের ঋষি সুনাক। 

[আরও পড়ুন: আংশিক দৃষ্টিহীন রুশদি, অকেজো হাতও, জানালেন বুকার জয়ী লেখকের এজেন্ট]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.