Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

সার্কে হাজির পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মন্ত্রী, প্রতিবাদে বৈঠক বয়কট ভারতের

এর আগে সার্ক শীর্ষ সম্মেলনও বয়কট করেছিল ভারত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১০, ২০১৮, ২২:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১০, ২০১৮, ২২:৪৫

options
link
সার্কে হাজির পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মন্ত্রী, প্রতিবাদে বৈঠক বয়কট ভারতের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সার্ক শীর্ষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনুপস্থিত থাকা নিয়ে আগেই ভারতকে একহাত নিয়েছে পাকিস্তান। শীর্ষস্থানীয় মন্ত্রী থেকে শুরু করে খোদ প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান পর্যন্ত তোপ দেগেছেন। কিন্তু ভারত সরকার সন্ত্রাস ইস্যুতে যে নিজের অবস্থানে অনড়, তা আরও একবার প্রমাণ হয়ে গেল। ইসলামাবাদের সার্ক বৈঠকে পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের এক মন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। প্রতিবাদে বৈঠক বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিলেন ভারতের প্রতিনিধি।

[ফের চিনের ‘হাতে হাত’ ভারতের, একবছর পর শুরু যৌথ সেনা মহড়া]

ইসলামাবাদে সার্ক দেশগুলির প্রতিনিধিদের নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে ভারতের তরফে দূত হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শুভম সিং। কিন্তু, বৈঠকে গিয়েই তিনি লক্ষ্য করেন সেখানে উপস্থিত পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মন্ত্রী চৌধুরী মহম্মদ সঈদ। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের অস্তিত্বকে স্বীকৃতি দেয় না ভারত। ওই অংশ তাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে মনে করে। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে আলাদা করে কোনও মন্ত্রীকেও স্বীকৃতি দিতে রাজি নয়। স্বাভাবিকভাবে চৌধুরী মহম্মদ সঈদের উপস্থিতি মেনে নিতে পারেননি ভারতীয় দূত। প্রতিবাদে বৈঠক ছাড়েন শুভম সিং।

Advertisement

[‘বিজেপি নেতারা মুসলিম বিরোধী’, বিস্ফোরক ইমরান খান]

এর আগে সার্ক শীর্ষ সম্মেলনও বয়কট করেছিল ভারত। পাকিস্তানের তরফে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ওই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়, সন্ত্রাস এবং আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না। তাই বৈঠক বয়কট করার কথা ঘোষণা করেন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। এর আগে উরি হামলার প্রতিবাদে ২০১৬-সালের সার্ক শীর্ষ বৈঠকেও উপস্থিত ছিল না ভারতের কোনও প্রতিনিধি। এই প্রথম নয়, দীর্ঘদিন ধরেই কূটনৈতিক মহলে সন্ত্রাস ইস্যুতে পাকিস্তানের অবস্থানের তীব্র প্রতিবাদ করে আসছে ভারত। যদিও, ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রকাশ্যে একাধিকবার ভারতকে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। কিন্তু একই সঙ্গে সীমান্তে বর্বরতাও চালু রেখেছে পাক সেনা।সন্ত্রাস ইস্যুতে পাকিস্তানের এই দ্বৈত নীতিরই প্রতিবাদ করেছে ভারত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.