Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Ukraine war

‘মানুষ বড় কাঁদছে’! যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনে বিনামূল্যে খাবার বিলোচ্ছেন ভারতীয় রেস্তরাঁর মালিক

রোজ ৭০০ থেকে ১ হাজার মানুষকে বিনামূল্যে খাবার খাওয়ান কুলদীপ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৬, ২০২২, ১২:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৬, ২০২২, ১২:১৬

options
link
‘মানুষ বড় কাঁদছে’! যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনে বিনামূল্যে খাবার বিলোচ্ছেন ভারতীয় রেস্তরাঁর মালিক zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘আয় আরও বেঁধে বেঁধে থাকি’… শঙ্খ ঘোষের কবিতার সেই পঙক্তি বারবার নতুন করে অনুভূত হয় যে কোনও দুর্যোগ, বিপদের আবহে। গত ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনের (Ukraine crisis) আকাশে ভেসে বেড়াচ্ছে রুশ (Russia) যুদ্ধবিমান। মৃত্যু, ধ্বংস আর বিচ্ছেদের ছোবলে দেশটার সর্বাঙ্গ যেন নীল। তবু এমন ঘনঘোর বিপর্যয়েও জেলেনস্কির দেশ যে হার মানেনি তার পিছনে রয়েছে বহু মানুষের দৃঢ়চেতা ও সহানুভূতিশীল মন। তেমনই একজন কুলদীপ কুমার। রাজধানী কিয়েভে এক রেস্তোরাঁ চালান এই ভারতীয়। কিন্তু যুদ্ধের দিনগুলিতে ‘নিউ বম্বে প্যালেস রেস্টুরেন্ট’ হয়ে উঠেছে ক্ষুধার্ত মানুষের এক আশ্রয়স্থল। রোজ ৭০০ থেকে ১ হাজার মানুষকে বিনামূল্যে খাবার খাওয়ান কুলদীপ।

এক সংবাদ সংস্থার সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানাচ্ছেন, ”আমার পরিবার এখানে রয়েছে। তারা সবাই ইউক্রেনীয়। যেহেতু এখন দেশটা একটা কঠিন সময়ে যাচ্ছে, তাই আমরা মানুষকে সাহায্য করছি।” তাঁর সাফ কথা, ”এখানে এতদিন আমি ভালই উপার্জন করেছি। তাই এবার মানুষের জন্য খরচ করছি। ‘নিউ বম্বে প্যালেস রেস্টুরেন্টে’ গরম ভারতীয় খাবার পাওয়া যায়। সেই খাবারই আমাদের স্বেচ্ছাসেবীরা সকলকে দিচ্ছেন। হয় তাঁরা বসে খাচ্ছেন কিংবা বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: কোভিড রুখে সুনাম কুড়িয়েছিলেন, বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ কেরলের প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী]

পাশাপাশি তিনি জানাচ্ছেন, হঠাৎই দেশের মানুষ নিজেদের দেশেই যেন শরণার্থী হয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোই নিজের কর্তব্য বলে মনে করছেন কুলদীপ। এই মুহূর্তে কিয়েভের উপরে যুদ্ধের আঁচ ততটা নেই। বরং খারকভ বা ডনেৎস রীতিমতো যুদ্ধবিধ্বস্ত। সেখান থেকে মূলত বর্ষীয়ান মানুষরা কিয়েভে ভিড় করেছেন। তাঁদের একটা অংশ কুলদীপের রেস্তরাঁতে আসেন দু’মুঠো খাবারের জন্য।

সকলের জন্যই অবারিত দ্বার কুলদীপের। তিনি জানেন যুদ্ধ যতদিন না থামছে এই বিপণ্ণ মানুষগুলির পাশে দাঁড়ানোই তাঁর প্রধান কর্তব্য। নিজের ব্যবসা, লভ্যাংশ এসব আপাতত না ভেবে সেটাই করে যেতে চান সিংহহৃদয় এই ভারতীয়।

[আরও পড়ুন: ভারতের গায়ে কালি ছেটানোর চেষ্টা! ক্ষুধা সূচক সংক্রান্ত রিপোর্টকে ‘ভ্রান্ত’ বলে ওড়াল কেন্দ্র]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.