Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬
ফিলিপিন্সে আটকে ভারতীয় পড়ুয়ারা

‘দয়া করে আমাদের দেশে ফেরান,’ কাতর আরজি জানিয়ে মোদিকে চিঠি ভারতীয় পড়ুয়াদের

ম্যানিলায় আটকে পড়ছেন পড়ুয়ারা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২০, ২২:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২০, ২২:২৬

options
link
‘দয়া করে আমাদের দেশে ফেরান,’ কাতর আরজি জানিয়ে মোদিকে চিঠি ভারতীয় পড়ুয়াদের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাড়ি ফেরার আরজি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি ম্যানিলায় আটকে পড়া ভারতীয় পড়ুয়াদের। রবিবার রাত থেকে আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা বাতিল হয়ে গিয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বিমানগুলির উপর ভারতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে বিমানের অপেক্ষায় বিমানবন্দরে প্রায় দুই রাত থাকার পর হতাশ হয়ে শেষে নিজেদের অ্যাপার্টমেন্টে ফিরে গিয়েছেন ম্যানিলায় আটকে থাকা পড়ুয়ারা।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে ফিলিপিন্সেও। এখনও অবধি ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ২৫। সংক্রমিত অন্তত ৩৮০। বেসরকারি সূত্রে এই সংখ্যা আরও বেশি। ম্যানিলায় অনেক ভারতীয়র বাস, বেশিরভাগই পড়ুয়া। ফিলিপিন্সের এই করুণ দশা থেকে তাই ম্যানিলায় আটকে থাকা ভারতীয় পড়ুয়াদের উদ্ধার করতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে আবেদন করেন তাঁরা। চিঠিতে তাঁরা জানান, “দুই রাত বিমানবন্দরে কাটিয়েছি। আমরা বাড়ি ফিরতে চাই। প্রাণের ভয় পাচ্ছি।” মেট্রো ম্যানিলার ইউনিভার্সিটির পড়ুয়া দিব্যেশ কেকানে বলেছেন, “এক সপ্তাহ আগেই লকডাউন চালু হয়েছে। কিন্তু তাতে সংক্রমণ আরও বেশি ছড়িয়েছে। আমার অ্যাপার্টমেন্টেই একজন কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত। তাঁকে আইসোলেশনে রাখার ব্যবস্থা নেই।” এই অভিজ্ঞতা ম্যানিলার অনেক পড়ুয়ারই। তাঁরা বলেন, “রাত ৮টা থেকে সকাল ৫টা অবধি কারফিউ চলছে। তারপর যখন প্রতিটি বাড়ি থেকে একজন করে বেরিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে বাজারে যাচ্ছি তখন সেখানে রীতিমতো লুঠ হওয়ার পরিস্থিতি। সুপারমার্কেট, দোকান-বাজারে গিয়ে কিছুই পাওয়া যাচ্ছে না। মাস্ক, স্যানিটাইজারের অভাব এখানেও দেখা দিয়েছে। মনে হচ্ছে বাজারে গেলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়বে, আবার না গেলে খেতেও পাব না। দয়া করে আমাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করুন।” পড়ুয়াদের দাবি, “ইউনিভার্সিটিতে কোয়ারেন্টাইনের জায়গা কম। ২৫ জন করে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। দুটো বেডে পাঁচজনকে থাকতে হচ্ছে। এইভাবে সংক্রমণ আরও বেশি ছড়িয়ে পড়বে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন:‘করোনা আমাদের দিয়েছে একাকীত্ব, বিষণ্ণতা’, বলছেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বঙ্গকন্যা]

তবে বিদেশ থেকে যাঁরা ভারতে ফিরেছেন তাঁদের থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে দেশে। তাই সেই সংক্রমণ রোধেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা। একথা জেনেও কিছু পড়ুয়া দাবি করেন, তাঁরা দেশে ফিরে স্বেচ্ছায় কোয়ারেন্টাইনে চলে যাবেন। শুধু তাঁদের ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হোক। মিলানের ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, অন্তত ১৬ হাজার ভারতীয় পড়ুয়া ছড়িয়ে আছে ফিলিপিন্সে। বেশিরভাগই মেডিক্যালের ছাত্রছাত্রী। তবে ফিলিপিন্সের সরকারের সঙ্গে ভারতের কথা হয়েছে। ভারতীয় পড়ুয়ারা যাতে সমস্যায় না পড়েন সে ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছে সে দেশের সরকার।

[আরও পড়ুন:বিশ্বের সর্ববৃহৎ ‘লকডাউন’ ভারতে! ৩ শতাংশে নামতে পারে GDP বৃদ্ধির হার]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.