সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অভিবাসীদের সন্তানদের দেশে ফেরত পাঠাতে উদ্যোগী আমেরিকা। এর মধ্যে একটা বড় অংশই ভারতীয়দের। এমন বহু অভিবাসী আমেরিকায় গিয়ে সেখানকার নাগরিকদের বিয়ে করেছেন এবং তাঁদের সন্তানও রয়েছে। সেই সংখ্যাটা প্রায় আড়াই লক্ষ। এবার তাঁদের দেশে ফেরত পাঠাবে মার্কিন প্রশাসন। এর গোটা দায়ভার পূর্বতন রিপাবলিকান সরকারের উপর চাপিয়েছে হোয়াইট হাউস।
বাবা-মায়েরা আমেরিকায় বেআইনি পথে আসেননি। রীতিমতো আইনকানুন মেনেই মার্কিন মুলুকে পা রেখেছেন তাঁরা। পরে সেখানেই থিতু হয়েছেন। তবে তাঁদের সন্তানদের জন্য অপেক্ষা করছে না তেমন কোনও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। কারণ অভিবাসী ও মার্কিন নাগরিকের সন্তানদের আর মার্কিন ভূমে রাখা হবে না। এদের মধ্যে অনেকেই অল্প বয়সে আমেরিকায় পৌঁছেছেন। এবং তাঁদের অনেকেই এখন ‘ইয়ং অ্যাডাল্ট’ অর্থাৎ প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার দ্বারপ্রান্তে অপেক্ষা করছেন। এখন তাঁরা স্বপ্ন দেখছেন মার্কিন মুলুকের পাকাপাকি নাগরিক হওয়ার। সেই দায় বইতে চাইছে না প্রশাসন। এই গোটা জটিল প্রক্রিয়ার জন্য রিপাবলিকানদের দিকে দায় ঠেলে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব, কেরিন জঁ পিয়ের বলেন, “আগেও তাদের ফেরত পাঠানোর জন্য আলোচনা হয়। কিন্তু এই প্রস্তাব রিপাবলিকানরা দুবার বাতিল করেছে।”
[আরও পড়ুন: প্রধান শিক্ষকই পিওন! মালদহে পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়াদের পড়াচ্ছে অষ্টমের শিক্ষার্থীরা]
তিনি জানিয়েছেন, “এই তরুণ প্রজন্ম এখানেই স্কুলে কলেজে পড়েছে। বড় হয়েছে। দীর্ঘদিন গ্রিন কার্ড ইস্যু করা হয়নি। ফলে অনেক অভিবাসীই এই তালিকায় অপেক্ষায় রয়েছেন। এঁরা অনেকদিন ধরেই স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার তালিকায় অপেক্ষায় রয়েছেন।” এর দায়ভারও রিপাবলিকানদের উপরেই চাপিয়েছে প্রশাসন। যদিও অনাবাসী ভারতীয়দের ভবিষ্যৎ কী তা এখনও বিশ বাঁও জলে।
[আরও পড়ুন: ফেসবুক লাইভে আত্মহত্যার ভিডিও বার্তা, যুবকের প্রাণ বাঁচাল কলকাতা পুলিশ]
সর্বশেষ খবর
-
যজ্ঞেই শয়তান তাড়ানোর কথা বলে ‘শ্লীলতাহানি’, গয়না নিয়ে উধাও সঙ্গিনী-সহ তান্ত্রিক
-
হড়পা বানে আটকে কৈলাসযাত্রী শিষ্যরা, বিধ্বস্ত নেপালে উদ্ধারকাজে নামতে চান সদগুরু!
-
রাজ্যে উড়ল প্যালেস্তাইনের পতাকা! ‘জাতীয় মর্যাদার সঙ্গে আপস নয়’, কড়া বার্তা শুভেন্দুর
-
হাতে হাত, রংমিলান্তি পোশাক, ফের একফ্রেমে রাজ-শুভশ্রীকে দেখে শান্তি ভক্তদের
-
বিধ্বস্ত নেপালে নিখোঁজ কলকাতার ৩২, হেল্পলাইন চালু করল নবান্ন