একদিকে শান্তি আলোচনা, অন্যদিকে হরমুজের দখলদারি নিয়ে ইরান-আমেরিকা দ্বন্দ্ব অব্যাহত। সোমবার হরমুজের আকাশে উড়ছিল অত্যাধুনিক মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন। নাগালের মধ্যে পেয়ে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে সেটিকে ধ্বংস করেছে ইরানি সেনা। বিবৃতি দিয়ে এই দাবি করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। গুলিবিদ্ধ ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ পারস্য উপসাগরে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, বহুমূল্য এই এমকিউ-৯ ড্রোনেরই একটি সংস্করণ কিনেছে ভারত। পরবর্তী পর্যায়ে আরও ড্রোন কেনার বিষয়েও ওয়াশিংটনের সঙ্গে কথা হয়েছে। এর মধ্যেই ওই মার্কিন যুদ্ধাস্ত্রকে ইরান ধ্বংস করায় চিন্তায় পড়ল দিল্লি।
সাধারণত দুই ধরনের ড্রোন ব্যবহার করে যে কোনও দেশের সেনা। নজরদারি চালানো ড্রোন ও হামলাকারী ড্রোন। অত্যাধুনিক এমকিউ ৯ মার্কিন ড্রোন দুই কাজেই পারঙ্গম। শত্রুর উপর নজরদারি চালিয়ে লক্ষ্যবস্তু ঠিক করে হামলা চালাতে পারে। সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রযুক্তির কারণে এই ড্রোনের দাম আকাশছোঁয়া। জানা গিয়েছে, ইরান যে ড্রোনটিকে ধ্বংস করেছে সেটির দাম ৫০ মিলিয়ান ডলার। অন্যদিকে আমেরিকার কাছে রয়েছে এরচেয়েও বেশি দামি এফ-৩৫ লাইটনিং ড্রোন। যার একটি দাম ৮২.৫ মিলিয়ান ডলার থেকে ১০৯ মিলিয়ান ডলার। উল্লেখ্য, যুদ্ধবিমানগুলির থেকেও বেশি মূল্যের এই ড্রোনগুলি। যেমন, পাকিস্তানের কাছে থাকা জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানের মূল্য ২৫ মিলিয়ান। অন্যদিকে, ভারত ব্যবহার করে এইচএএল তেজাস এমকে-১এ যুদ্ধবিমান। সেটির দাম ৪০ মিলিয়ান ডলার থেকে ৪৫ ডলার।
এক বিবৃতিতে আইআরজিসির জনসংযোগ দপ্তর জানিয়েছে, সোমবার ভোরে আইআরজিসির আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ‘সতর্ক যোদ্ধারা’ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে দূরপাল্লার মার্কিন ড্রোন এমকিউ-৯-এ আঘাত হানে। পরে ওই ড্রোনটি পারস্য উপসাগরে ভেঙে পড়ে।
সর্বশেষ খবর
-
‘নন্দীগ্রাম-হলদিয়া ব্রিজে প্রথম আমার গাড়ি নিয়ে যাব’, শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্যে কল্পতরু ‘ঘরের ছেলে’ শুভেন্দু
-
‘পথে হোক বা পেটে, তোকে মরতে দেব না’, অনির্বাণকে ভরসা জোগান দেব, ‘হিটলার’ বলে খোঁচা কাকে?
-
ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক মোদির, কথা পুতিনের সঙ্গেও, বিশকেকে আমেরিকাকে ‘তৃতীয় অক্ষে’র বার্তা দিল্লির!
-
ক্রিকেটে ভারত-পাকিস্তান একসুর! চাপের মুখে পরিকাঠামো নিয়ে সাফাই দিল এশিয়াড আয়োজকরা
-
‘এই ম্যাচিওরিটি তখন থাকলে আমরা আলাদা হতাম না,’ দেবের কথা শুনেই শুভশ্রী…