Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Iran US peace talks

ফের পাকিস্তানেই শান্তি বৈঠক! যোগ দিতে পারেন ট্রাম্প, যুদ্ধ থামাতে রাজি হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

আগামী ২১ এপ্রিল শেষ হচ্ছে সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ। তার আগের দিন অর্থাৎ ২০ এপ্রিল ইসলামাবাদে শান্তি বৈঠক হবে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ০৮:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ০৮:৩১

options
link
ফের পাকিস্তানেই শান্তি বৈঠক! যোগ দিতে পারেন ট্রাম্প, যুদ্ধ থামাতে রাজি হবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট? zoom
ফাইল ছবি।

আবারও শান্তি বৈঠকে বসতে চলেছে ইরান এবং আমেরিকা। সূত্রের খবর, দুই দেশের প্রতিনিধিরা আবারও আলোচনার টেবিলে বসবেন। প্রথম বৈঠকের মতো দ্বিতীয় বৈঠকটিও হবে পাকিস্তানের মাটিতে। ওয়াশিংটন এবং তেহরানের প্রতিনিধিরা বৈঠকে বসার আগে আলাদা করে যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করেছে তিন মধ্যস্থতাকারী দেশ-কাতার, তুরস্ক এবং পাকিস্তান। উল্লেখ্য, গতবারের শান্তি বৈঠক একেবারে ব্যর্থ হয়েছিল। এবারে কি সমাধানসূত্র বের করতে পারবে যুযুধান দুই পক্ষ?

আগামী ২১ এপ্রিল শেষ হচ্ছে সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ। তার আগের দিন অর্থাৎ ২০ এপ্রিল ইসলামাবাদে শান্তি বৈঠক হবে বলে ইরানের এক আধিকারিক জানিয়েছেন। রবিবারই পাকিস্তানে পৌঁছে যাবে দুই পক্ষের প্রতিনিধি দল। শান্তি বৈঠকের আগে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়িপ এর্দোয়ান। আলোচনার মাধ্যমে ইরান-আমেরিকা সংঘাত মেটানো নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে এই তিন রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে। কয়েকদিন আগে শান্তি আলোচনার জন্য ইরানে গিয়েছিলেন পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনিরও।

Advertisement

প্রসঙ্গত, গত ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে শান্তি বৈঠকে বসে দুই দেশ। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ আলোচনায় বসেন। ২১ ঘন্টা ধরে আলোচনা চলে দু’পক্ষের মধ্যে। তবে তাতে কোনও ফল হয়নি। এবার সংঘর্ষবিরতির মেয়াদ ফুরনোর ঠিক আগের দিন আলোচনায় বসছে দুই দেশ। সমাধানসূত্র না মিললে আবারও যুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারে মধ্যপ্রাচ্যে। এহেন পরিস্থিতিতে আসন্ন শান্তি বৈঠকে ভ্যান্স এবং ঘালিবাফই প্রতিনিধিত্ব করবেন কিনা, সেই নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

উল্লেখ্য, শুক্রবারই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, প্রয়োজন পড়লে তিনি নিজেও পাকিস্তানে যেতে পারেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তাঁর বক্তব্য ছিল, “ইসলামাবাদে যদি কোনও শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, তাহলে আমি যেতেই পারি। ওদের আমাকে দরকার হতে পারে। দেখতে হবে কী হচ্ছে। তবে অনুমান করা যায়, আমরা ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে পারি।” তাহলে কি আসন্ন শান্তি বৈঠকে ট্রাম্পকেই দেখা যাবে মার্কিন প্রতিনিধি হিসাবে? ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেইকে এখনও প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তাঁর প্রতিনিধি হিসাবে কে যোগ দেবেন শান্তি বৈঠকে?

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.