Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬

সুইডিশ সরকারের কোরান পোড়ানোর অনুমতি ঘিরে উত্তাল ইরাক, বিতাড়িত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত

আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় ইরাকে অবস্থিত সুইডিশ দূতাবাসে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৩, ০৯:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৩, ০৯:৩৮

options
link
সুইডিশ সরকারের কোরান পোড়ানোর অনুমতি ঘিরে উত্তাল ইরাক, বিতাড়িত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুইডেনের (Sweden) রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করল ইরাক। সেই সঙ্গে সুইডেনের সংস্থা এরিকসনকে ইরাকের (Iraq) মাটিতে কাজ করার অনুমতি কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আরও বেশ কয়েকটি দেশও সুইডেনের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করতে পারে বলেই শোনা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবারই ইরাকের রাজধানী বাগদাদে (Baghdad) অবস্থিত সুইডেনের দূতাবাসে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল বিক্ষোভকারীরা। তারপর থেকেই সুইডেনের সঙ্গে একাধিক দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। প্রসঙ্গত, পরিকল্পনা করে কোরান পোড়ানোর অভিযোগ পরেই আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় সুইডেনের দূতাবাসে।

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবারই সুইডেনের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করেছে ইরাকের প্রশাসন। প্রধানমন্ত্রী মহম্মদ শিয়া আল-সুদানি বিবৃতি জারি করে বলেছেন, অবিলম্বে দেশ ছেড়ে চলে যেতে হবে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতকে। তার কারণ, একাধিকবার কোরান (Quran) পোড়ানোর অনুমতি দিয়েছেন সুইডেনের সরকার। সেই সঙ্গে ইরাকের পতাকা পোড়ানোরও অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও ইরাকের সংবাদসংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, সুইডিশ সংস্থা এরিকসন আর ইরাকের মাটিতে ব্যবসা করতে পারবে না।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মণিপুরে মহিলাদের বিবস্ত্র করার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪, এত বিতর্কেও ইস্তফা দিচ্ছেন না মুখ্যমন্ত্রী]

বৃহস্পতিবার ভোরবেলা ইরাকের শিয়া ধর্মগুরু মোকতাদা সদ্রর সমর্থকেরা রাজধানী বাগদাদে সুইডেনের দূতাবাসে আগুন লাগিয়ে দেয়। কিন্তু কেন এই ঘটনা? ঘটনার সূত্রপাত গত মাসে ইদের দিন থেকে। ওই দিন সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে কোরান পুড়িয়ে প্রতিবাদ দেখান বছর সাঁইত্রিশের ইরাকি শরণার্থী সালওয়ান মোমিকা। শহরটির সবথেকে বড় মসজিদের সামনে ধর্মগ্রন্থটিকে কুচি কুচি করে ছিঁড়ে ফেলেন তিনি। খণ্ডিত পৃষ্টাগুলিকে মাড়িয়েও দেন তিনি। স্থানীয় পুলিশ জানায়, বাকস্বাধীনতার নীতি মেনেই মোমিকার প্রতিবাদী কর্মসূচিকে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছিল। এরপর থেকেই সুইডেন প্রশাসনের ক্ষোভ উগরে দিয়েছে বিভিন্ন দেশ।

এই ঘটনার পরেই আরেক ব্যক্তি কোরান পোড়ানোর অনুমতি চান। কিন্তু সুইডেনের স্থানীয় পুলিশ অনুমতি দেয়নি। তবে সেই নির্দেশ খারিজ করে দেয় সুইডেনের আদালত। বাকস্বাধীনতার যুক্তিতে কোরান পোড়ানোর অনুমতি দেওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে। সুইডেনের দূতাবাসে হামলার পরেই সেদেশের তরফে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়, ইরাকি আধিকারিকদের ব্যর্থতাতেই দূতাবাসের কর্মীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়েছে। তবে এই প্রসঙ্গে ইরাকের পাশে দাঁড়িয়েছে ইরান, তুরস্ক, কাতার, সৌদি আরবের মতো দেশগুলি। সুইডেনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারে তারাও, এমনটাই শোনা যাচ্ছে। 

[আরও পড়ুন: ৫০০ তম আন্তর্জাতিক ম্যাচে সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় বিরাট, দ্বিতীয় টেস্টে দাপট রোহিতদের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.