Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Iran-Israel War

ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের আবহে চর্চায় কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা, পারমাণবিক যুদ্ধ কি এআইয়ের হাতে?

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের শঙ্কা!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৫, ২১:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৫, ২১:৪৬

options
link
ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের আবহে চর্চায় কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা, পারমাণবিক যুদ্ধ কি এআইয়ের হাতে? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইরানের উপর আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান উত্তেজনার মধ্যে আমেরিকা ও ইজরায়েল ইরানের পারমাণবিক প্রতিরোধকে দুর্বল করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর সিস্টেমের সুযোগ নিচ্ছে। এই এআই-চালিত কৌশলগুলিতে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় লক্ষ্য নির্ধারণ, রিলায়েবল সেন্সর নেটওয়ার্ক এবং ড্রোন-সহ আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়, যা গুরুতর সংকটের পরিস্থিতিতে দ্রুত ও নির্ভুল প্রতিক্রিয়ার সুযোগ পাওয়া যায়।

আমেরিকা ও ইজরায়েলের চালানো ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’-এ এমন একটি এআই ভিত্তিক প্রিসাইজন হামলার পরিকল্পনা ছিল যা মূলত রেভলিউশনারি গার্ডের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের ‘টার্গেট’ করা হয়েছিল এবং পারমাণবিক গবেষণা ও প্রক্রিয়া কেন্দ্রগুলির ক্ষতিসাধনে সহায়তা করেছিল। মূলত গুপ্তচর সংস্থা, ওয়ার প্ল্যানিং এবং ভিডিও অ্যানালিসিস, এই সব কাজে আমেরিকা-চালিত এআই ইঞ্জিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। একই সময় অবশ্য ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বক্তব্য, “আমরা দ্বিতীয় কোনও হলোকাস্ট হতে দেব না”- এতে বোঝা যায়, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের জন্য তারা প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান নিচ্ছে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরান প্রায় ইউরেনিয়াম বোমা তৈরি করার দোরগোড়ায় রয়েছে, তাই তাদের এই হামলা প্রয়োজন ছিল।

Advertisement

বিশ্লেষকরা বলছেন, এআই-সহযোদ্ধা কৌশল একটি দ্বিগুণ ঝুঁকি নিয়ে আসছে। কারণ, ‘অটোনমাস নিউক্লিয়ার ডিসিশন মেকিং’ খুবই বিপজ্জনক হতে পারে। দেখা যাচ্ছে, এআই-নির্ভর সিস্টেম দ্রুত উত্তেজনাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে যদি না তা সুসংগঠিত নীতিমালার অন্তর্ভুক্ত হয়। বিশ্বনেতৃত্ব ইতিমধ্যে সেই সংকটকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ন্ত্রণে আনতে কৌশলী চিন্তাভাবনা করছে। আমেরিকা, চিন ও ইউরোপীয় দেশগুলি বলছে, আংশিক মেধা প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে সশস্ত্র ক্ষমতা প্রয়োগ করা আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতাকে বিপদের মুখে ফেলবে।

অন্যদিকে, ইরান বলছে, যদি তাদের প্রতিক্রিয়া এআই-নির্ভর কোনও সন্ত্রাসে পরিণত হয়, তবে তারা নিজেদের প্রতিরোধের শর্তে শক্তিশালী প্রতিহিংসামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ইরান জানিয়েছে, তারা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে যে, যদি ইজরায়েল বা আমেরিকার এআই-চালিত সিদ্ধান্ত যুদ্ধে রূপ নেয়, তবে তারা এমন কোনও পদক্ষেপ করতে স্তুত যা বিশ্বকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.