BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

জমি তৈরি করে শক্তি বাড়াচ্ছে আইএস, ঘোর বিপদে পাকিস্তান

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 8, 2018 1:12 pm|    Updated: January 8, 2018 1:12 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বরাবরই নিজেদের মাটিতে আইএস-এর উপস্থিতি অস্বীকার করে এসেছে পাকিস্তান।যদিও সরকারি তরফের এই দাবিকে নস্যাৎ করে দিয়েছে ওই দেশেরই একটি সংস্থা (পাকিস্তান ইনস্টিটিউট ফর পিস স্টাডিস)। সংস্থাটির তরফে জানানো হয়েছে, জঙ্গি সংগঠন আইএস ধীরে ধীরে পাকিস্তানের মাটিতে শক্তিবৃদ্ধি করছে।আইএস-এর এই শক্তিবৃদ্ধি পাকিস্তানের জন্য বড়সড় বিপদ। এই মুহূর্তে সিন্ধের উত্তরাঞ্চল ও বালোচিস্তানে দারুণভাবে সক্রিয় আইএস। দ্য ডন-এর রিপোর্ট অনুযায়ী গত বছরে দুই চিনা নাগরিকের অপহরণ ও খুনের ঘটনার পিছনে আইএস0 যোগ রয়েছে।

[কুলভূষণের পরিবারকে অপমান, পাক দূতাবাসের সামনে ছেঁড়া চটি নিয়ে প্রতিবাদ]

পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানানোর বিষয়গুলি নিয়ে পর্যালোচনা মূলক তথ্য প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।পাকিস্তান আইএসের সাংগঠনিক উপস্থিতি অস্বীকার করেছে।যদিও বালোচিস্তানে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক হামলার দায় স্বীকার করেছে সংশ্লিষ্ট জঙ্গি সংগঠন।তথ্য বলছে, সাম্প্রতিক হামলার ৫৮ শতাংশই ঘটিয়েছে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান ও জামাতুল আহরার মতো অন্যান্য সংগঠনগুলি।৩৭ শতাংশ হামলার দায়িত্বে ছিল জাতীয়তাবাদী বিদ্রোহীরা।বাকি ৫ শতাংশ হামলার ঘটনার দায়ভার সাম্প্রদায়িক সংগঠনগুলির। পাকিস্তানে আইএস ধীরে ধীরে যে জমি তৈরি করছে তার একটা স্পষ্ট ছবিও তথ্যে উঠে এসেছে।বিশেষ করে বালোচিস্তান ও উত্তর সিন্ধে বাড়ছে আইএস হামলা।৬টি নাশকতায় প্রাণ কেড়েছে ১৫৩ জনের।

[ট্রাম্পের চোখারাঙানির জের, হাফিজের জঙ্গি সংগঠন ফের নিষিদ্ধ পাকিস্তানে]

 

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৭-তে পাকিস্তানে ৩৭০টি জঙ্গিহানার ঘটনা ঘটেছে।এর জেরে মৃত্যু হয়েছে ৮১৫জনের। আহতের সংখ্যা ১ হাজার ৭৩৬।২০১৭-তেই বালোচিস্তান ও উপজাতি প্রধান এলাকায় সন্ত্রাসী হানায় প্রাণ গেছে যথাক্রমে ২৮৮ ও ২৫৩ জনের। ২০১৮-তে পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তানীতি সংক্রান্ত রিপোর্ট এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।এই রিপোর্ট পাকিস্তানের আঞ্চলিক ও বিশ্বরাজনীতির পরিস্থিতিতে বিশেষ তাৎপর্য বহন করবে।একইসঙ্গে পাকিস্তান-মার্কিন সম্পর্কে বড়মাপের ভূমিকা নেবে।২০১৬’র রিপোর্টের সঙ্গে এই রিপোর্টের তুল্যমূল্য বিচার হবে। ২০১৭-তে সীমান্তে অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত আক্রমণের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্ত, পাকিস্তান-ভারত ও পাকিস্তান-ইরান সীমান্তে হামলার সংখ্যা প্রায় ১৩১ শতাংশের মতো। মোট ১৭১টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলায় প্রাণ হারিয়েছে ১৮৮ জন। আহত হয়েছে ৩৪৮ জন।২০১৭-তে নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয়েছে ৫২৪ জঙ্গির। ২০১৬-তে জঙ্গি মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৮০৯।১ বছরে ৭৫টি সামরিক অভিযান হয়েছে।৬৮টি সশস্ত্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

 

 

 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement