৪ ভাদ্র  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২২ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

৪ ভাদ্র  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২২ আগস্ট ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানের বালাকোটে গজিয়ে ওঠা জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবিরে ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ারস্ট্রাইকে খতম হয়েছে প্রায় ১৭০ জন জঙ্গি৷ এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন ইটালিয়ান সাংবাদিক ফ্রান্সিসকা মারিনো৷ সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে এই দাবি করেন তিনি৷ নির্বাচনের মরশুমে যা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক বিতর্কে নয়া মাত্রা যোগ করল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল৷

[ আরও পড়ুন: রমজানেই পাকিস্তানে ফের ‘ফ্র্যাঙ্কেস্টাইনের’ থাবা, বিস্ফোরণে মৃত ৬]

প্রকাশিত প্রতিবেদনে ফ্রান্সিসকা লেখেন, যখন বালাকোটের জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবিরে ভারতীয় বায়ুসেনা এয়ারস্ট্রাইক চালায়, তখন সেই ক্যাম্পে উপস্থিত ছিল ১৩০ থেকে ১৭০ জনেরও বেশি জঙ্গি৷ সন্ত্রাসদমন অভিযানে মৃত্যু হয়েছে তাদের বেশির ভাগেই৷ ২৫ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে বালাকোটে ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ারস্ট্রাইকের পর, ২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টায় সেখান পৌঁছায় পাক সেনা৷ শিনকিয়ারি ক্যাম্প থেকে সেখানে পৌঁছায় পাক সেনার একটি ইউনিট৷ পাক সেনাই মৃত জঙ্গিদের কবর দেওয়ার কাজ করে৷ এবং গুরুতর জখমদের স্থানান্তরিত করে আরও এক জঙ্গি সংগঠন হরকত-উল-মুজাহিদিনের ঘাঁটিতে৷ সেখানে তাদের চিকিৎসা করে পাক সেনার চিকিৎসকরা৷ এয়ারস্ট্রাইকে জখম জঙ্গিদের মধ্যে ৪৫ জন এখনও হারকত-উল-মুজাহিদিনের ক্যাম্পে চিকিৎসাধীন রয়েছে৷ যারা সুস্থ হয়েছে, তাদের নিজেদের হেফাজতে গোপন ডেরায় রেখেছে পাক সেনা৷

[ আরও পড়ুন: চিনকে ‘শুল্ক যুদ্ধের’ হুঁশিয়ারি আমেরিকার, পালটা মারে প্রস্তুত বেজিং ]

ভারতের এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের সমালোচনায় মুখ খোলেন ফ্রান্সিসকা৷ জানান, বালাকোটের এয়ারস্ট্রাইক নিয়ে মিথ্যা কথা বলছে পাকিস্তান৷ সত্য লুকানোর চেষ্টা করছে ইমরান খান প্রশাসন ও পাক সেনা৷ তিনি বলেন, ‘‘২৬ ফেব্রুয়ারি বালাকোটের জইশ ক্যাম্পে কী হয়েছে৷ তা গোপন করতে সব রকমের চেষ্টা করেছে পাকিস্তান৷ কিন্তু সূত্র মারফৎ আসল সত্য ঘটনা আমি জেনেছি৷’’ তাঁর দাবি, বালাকোটে পাহাড়ের উপরে তৈরি যে জঙ্গি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে হামলা করেছে বারতীয় বায়ুসেনা, তার নিয়ন্ত্রণ করত পাক সেনাই৷ এই হামলার পরে দেশের অন্দরেই প্রবল চাপে পড়ে রাওয়ালপিণ্ডি৷ তাই তাঁরা অস্বীকারের পথ বেছে নেয়৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং