কিংশুক প্রামাণিক, মিলান: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জার্মানি ও ইটালির সফরের সার্থকতা আর সাফল্যের ছবি দেখা যাবে ফেব্রুয়ারি মাসের কলকাতায়। শীতের দুপুরে কলকাতার বুকে মিঠে রোদের মতোই বাংলার সঙ্গে সম্পর্কের উষ্ণতা ছড়াতে এই দুই দেশে থেকে হাজির থাকবেন এক ঝাঁক প্রতিনিধি। এই আশ্বাস নিয়ে দেশের উদ্দেশে রওনা দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।
[ কয়েক কোটি মানুষের দারিদ্র দূর করেছে ভারত, প্রশংসায় পঞ্চমুখ ট্রাম্প]
আগামী বছরের শুরুতে কলকাতায় যে বাণিজ্য সম্মেলন হতে চলেছে তার জন্য আরও বেশি লগ্নি আনার উদ্দেশ্য নিয়েই প্রধানত ইউরোপে এসেছিলেন মমতা। আর সন্দেহ নেই, এবারে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন হতে চলেছে প্রধানত ইউরোপমুখী। ইউরোপের যে দুই দেশ প্রযুক্তি, পরিকাঠামো, উৎপাদন–সবক্ষেত্রেই অগ্রণী ভূমিকা নিয়ে থাকে সেই জার্মানি ও ইটালির লগ্নিকারীরা উৎসাহী ভারত নিয়ে। আরও স্পষ্ট করে বললে বলতে হয় বাংলা নিয়ে। জার্মানির মেকানিজম যতটা মজবুত ঠিক ততটাই শিল্প ও কলা ক্ষেত্রে এগিয়ে ইটালি। আর এঁরা সকলেই বাংলায় বিনিয়োগ করার আশ্বাস দিয়েছেন।
এ ক’দিন মিলানের রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে দেখেছি বাণিজ্য কাকে বলে। একই সঙ্গে চোখে পড়েছে তাদের দেশের অলিতে গলিতে কীভাবে জন্ম নিয়েছে নানা মাপের আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের আউটলেট। শুধু ব্যবসার মাপের নিরিখে নয়, নান্দনিকতার দিক থেকেও তা অনন্য। কেবলমাত্র পোশাকআশাক নয়, সাজের সমস্ত অনুষঙ্গও এ দেশের শিল্পীদের ছোঁয়ায় আলাদা মাত্রা পেয়েছে। ইতালির চর্মশিল্প সারা পৃথিবীতেই বিখ্যাত। গুচ্চি, ডলচে গাব্বানা, আর্মানি, প্রাদা, ভ্যালেন্টিনো– বিখ্যাত নামের ব্র্যান্ডের ছড়াছড়ি ইটালি। খাবার পাতে পিৎজা আর পাস্তা যেমন ইটালির পরিচয়, তেমনই তাদের খ্যাতি এই ফ্যাশন ব্র্যান্ডে। সেই শৈল্পিক নান্দনিকতার ছোঁয়াটুকু এবার রাজ্যের মাটিতে পেতে চান মুখ্যমন্ত্রী। এবারের তাঁর সফরের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সেটাই। রাজ্যের সঙ্গে রাজ্যের সম্পর্ক স্থাপন। বুধবার লোম্বার্ডি প্রদেশের প্রেসিডেন্ট আত্তিলিও ফোনতানা তাঁর আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়েছেন। তিনি নিজে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ভারতে আসার ব্যাপারে।
[ ন’মাস বেতন নেই, খাদ্যাভাবে জাহাজে আটকে ৮ ভারতীয় নাবিক]
মিলানের মালপেনসা বিমানবন্দর শহরের প্রাণকেন্দ্র থেকে একটু দূরে। বরফে ঢাকা আল্পসের কোলের সেই বিমানবন্দর থেকেই দুবাই হয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সফরে তঁার সঙ্গী ছিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র, মুখ্যসচিব মলয়কুমার দে, ব্যক্তিগত সচিব গৌতম সান্যাল। ইউরোপ ছেড়ে বাংলায় ফেরার আগে মমতা বলেন, “আগামী বাণিজ্য সম্মেলনে বহু বিদেশি সংস্থাই আসছে বাংলায়।” এই সফর থেকে বাংলার প্রাপ্তিটাও অনেক বেশি।
সর্বশেষ খবর
-
‘ববিদাকে ফোন করব’, ফিরহাদের পদত্যাগের পরই জল্পনা বাড়ালেন ‘আসল তৃণমূল’ ঋতব্রত
-
‘ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ কচি নয়’, স্বরূপের শ্লীলতাহানি মামলায় রূপার নিশানায় কারা? কী বলছেন স্বপন দাশগুপ্ত?
-
দিল্লি দরবারে বৈঠক শেষে ‘খুশি’ মনে রাজ্যে ফিরছেন মুখ্যমন্ত্রী, আজ রাতেই দপ্তর বণ্টন!
-
অভিষেকের কথাই শেষ কথা নয়! দলের খোলনলচে বদলে বড় সিদ্ধান্ত বিদ্রোহে ‘বিপন্ন’ মমতার
-
ভারতে ইবোলার হানা! জয়পুরে উগান্ডার পর্যটকের শরীরে সংক্রমণের লক্ষণ ঘিরে চর্চা