Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
UN

ইমরানের জেলযাত্রা থেকে গণতন্ত্রের গণহত্যা! রাষ্ট্রসংঘে ফের পাকিস্তানের মুখোশ খুলল ভারত

প্রতিবেশী দেশের কুকীর্তি তুলে ধরা হল বিশ্বমঞ্চে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫, ১১:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫, ১১:৫১

options
link
ইমরানের জেলযাত্রা থেকে গণতন্ত্রের গণহত্যা! রাষ্ট্রসংঘে ফের পাকিস্তানের মুখোশ খুলল ভারত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘে ফের একবার পাকিস্তানের মুখোশ খুলল ভারত। পাকিস্তানে সরকার বদল থেকে শুরু করে, ইমরান খানের জেলযাত্রা, সেনাপ্রধান আসিফ মুনিরের আজীবন সুরক্ষার নামে কীভাবে গণতন্ত্রের গণহত্যা হয়েছে প্রতিবেশী দেশের সেই কুকীর্তি তুলে ধরা হল বিশ্বমঞ্চে। ভারতের আক্রমণের তির ছিল মূলত সেনাপ্রধান তথা বকলমে পাকিস্তানের শাসক আসিফ মুনিরের দিকে।

সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘে এক আলোচনায় অংশ নিয়েছিল ভারত। আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল ‘লিডারশিপ ফর পিস’। সেখানেই ভারতের প্রতিনিধি হরিশ পর্বতানেনি পাকিস্তানকে তোপ দেগে বলেন, জনগণের ইচ্ছাকে সম্মান জানানোর অনন্য উপায় অবলম্বন করেছে ইসলামাবাদ। যেমন, একজন নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের কারাদণ্ড, তাঁর দলকে নিষিদ্ধ করা, ২৭তম সংশোধনীর মাধ্যমে গণতন্ত্রকে দুরমুশ করে সেনা শাসনের পথ প্রশস্ত করার কথা। একইসঙ্গে একজন সেনাপ্রধানকে আজীবনের সুরক্ষাকবচ।”

Advertisement

এই বিতর্কসভায় পাকিস্তানকে তোপ দেগে ভারত স্পষ্টভাষায় বুঝিয়ে দিয়েছে, পাকিস্তানে গণতন্ত্রের নামে প্রহসন চলছে। মুনিরের অঙ্গুলি হেলনে চলছে গোটা পাকিস্তান। তাঁর ষড়যন্ত্রেই নির্বাচিত সরকারের পতন হয়েছে। এরপর ইমরান খানকে জেলবন্দি করেই খান্ত থাকেননি মুনির-শাহবাজ জুটি। তাঁর দল যাতে নির্বাচনে লড়তে না পারে তা নিশ্চিত করতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে পিটিআইকে। শুধু তাই নয়, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলা ৪ দিনের যুদ্ধে মিথ্যে জয়ের হাওয়া তুলে সংবিধান বদল করে নিজের জন্য আজীবনের সুরক্ষাকবচ হাতিয়ে নিয়েছেন মুনির। এই ঘটনাকে গণতন্ত্রের হত্যা ও বকলমে দেশে সেনা শাসন চালানোর ভয়ংকর ষড়যন্ত্র বলে উল্লেখ করেছে ভারত।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রসংঘে ভারতের মন্তব্য পাকিস্তানের অভ্যন্তরে গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং সামরিক হস্তক্ষেপ সম্পর্কে ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক উদ্বেগের প্রতিফলন। ভারত স্পষ্ট করে বলেছে যে অন্যদের দোষারোপ করার পরিবর্তে পাকিস্তানের উচিত প্রথমে তার অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক সংকট এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি মোকাবিলা করা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.