BREAKING NEWS

২৮ শ্রাবণ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

অযোধ্যার রায়ের জেরে ভারতে হামলা চালানোর ছক, ফের সক্রিয় জইশ জঙ্গিরা

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: November 10, 2019 3:38 pm|    Updated: November 10, 2019 3:47 pm

An Images

ফাইল ফোটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে রাম মন্দির করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ। তারপর কোনও রক্তপাত বা ঝামেলাই ছাড়াই কেটে গিয়েছে ২৪ ঘণ্টা। শত্রুর মুখে ছাই কোনও গন্ডগোলই হয়নি দেশের কোনও প্রান্তে। যা পছন্দ হচ্ছে না পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির। ভারতের বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালানোর ছক কষছে তারা। আর এর মধ্যে সব থেকে বেশি সক্রিয় হয়ে উঠেছে মাসুদ আজহারের নেতৃত্বাধীন জইশ-ই-মহম্মদ। সম্প্রতি ভারতের বিভিন্ন জায়গায় তাদের স্লিপার সেলগুলি তৎপর হয়ে উঠেছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি সূত্রে। সমস্ত রকম পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে ইতিমধ্যেই সর্তক করেছে রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং(র) ও অন্য সংস্থাগুলি।

[আরও পড়ুন: ‘মোদি সরকারের ধর্মান্ধ আদর্শের প্রতিফলন’, অযোধ্যার রায়ে ক্ষুব্ধ পাক বিদেশমন্ত্রী]

সূত্রের খবর, অক্টোবর মাসের শেষের দিকে পুরো ভারত যখন অযোধ্যা মামলার রায়ের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল। ঠিক তখনই ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালানোর বিষয়ে পরিকল্পনা করছিল জইশ জঙ্গিরা।দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ ও হিমাচলপ্রদেশ-সহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নাশকতা করার উদ্দেশ্যে গত দু’সপ্তাহ ধরে সাংকেতিক ভাষায় মেসেজ চালাচালি করছিল। বড় কোনও হামলা চালানোর জন্য গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলেই আশঙ্কা করছেন গোয়েন্দারা।

[আরও পড়ুন: OMG! অফিসে মহিলা কর্মীরা পরতে পারবেন না চশমা, ফতোয়া জাপানের সংস্থার]

সম্ভাব্য এই জঙ্গি হানার ঘটনা সম্পর্কে কেন্দ্রকে সতর্ক করার পাশাপাশি দেশব্যাপী নজরদারি চালাচ্ছেন র ও আইবি-র তদন্তকারীরা। এপ্রসঙ্গে এক সিনিয়র আধিকারিক বলেন, ‘বিপদটা যে কত গুরুতর তা অনুভব করা যাচ্ছে। আর সবথেকে অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে প্রতিটি তদন্তকারী সংস্থার তরফে এই সম্পর্কে একই রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট অযোধ্যা নিয়ে যে রায় দিয়েছে তার প্রেক্ষিতেই ভারতে নাশকতা ছড়াতে চাইছে পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। ভারতের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার জন্যই এই কাজ করছে তারা।’

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement