Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Jimmy Lai

গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ চিনের! জিমি লাইকে ২০ বছরের সাজা শোনাল হংকংয়ের আদালত

হংকংয়ের গণতন্ত্রকামীদের অন্যতম মুখ জিমি। ২০২০ সালের আগস্টে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ১৭:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ১৭:৩৩

options
link
গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ চিনের! জিমি লাইকে ২০ বছরের সাজা শোনাল হংকংয়ের আদালত zoom
বরাবরই বেজিংয়ের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন ‘Next Digital’ মিডিয়া সংস্থার কর্ণধার।
Advertisement

গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের নির্লজ্জ নজির! হংকংয়ের গণতন্ত্রকামী নেতা তথা ধনকুবের তথা মিডিয়া মুঘল জিমি লাইকে (Jimmy Lai) ২০ বছরের সাজা শোনাল আদালত। শেষ হল গত পাঁচ বছর ধরে চলতে থাকা আইনি লড়াইয়ের। ২০২০ সালের আগস্টে লাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। গত বছর আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে।

২০১৯ সালে একটি প্রত্যর্পণ আইন নিয়ে হংকংয়ে তুঙ্গে পৌঁছায় চিন বিরোধী বিক্ষোভ। স্বশাসিত প্রদেশটিতে গণতন্ত্র কায়েম করার দাবিতে শুরু হয় বিক্ষোভ। ২০২০ সালে করোনা কালেও অব্যাহত থাকে প্রতিবাদ। তারপরই পরিস্থিতি সামাল দিতে একটি বিতর্কিত জাতীয় নিরাপত্তা বিল পাশ করে চিন। ওই নয়া আইনে সমস্ত রকমের প্রতিবাদ ও সরকার বিরোধী আন্দোলনকে দেশের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখানো হয়। বিশ্লেষকদের মতে, এই আইন আসলে গণতন্ত্রকামীদের কণ্ঠরোধ করতেই আনা হয়েছে। এই আইনে অভিযুক্তের মানবাধিকারকে কোনও মূল্য না দিয়ে যখন তখন তাঁকে গ্রেপ্তার করা ও মামলা চালানো যায়। আন্তর্জাতিক মঞ্চের তীব্র সমালোচনা সত্ত্বেও ওই আইন বাতিল করেনি চিন। গণতন্ত্রকামীদের কারাগারে বন্দি করে স্বশাসিত প্রদেশটির জনতার প্রায় সমস্ত অধিকার কেড়ে নিয়েছে বেজিং। বিতর্কিত নিরাপত্তা আইন প্রয়োগ করেই গ্রেপ্তার করা হয় জিমি লাইকে।

Advertisement

জিমি লাইকে ২০ বছরের সাজা শোনাল আদালত। শেষ হল গত পাঁচ বছর ধরে চলতে থাকা আইনি লড়াইয়ের। ২০২০ সালের আগস্টে লাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। গত বছর আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে।

হংকংয়ের গণতন্ত্রকামীদের অন্যতম মুখ তিনি। বরাবরই বেজিংয়ের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন ‘Next Digital’ মিডিয়া সংস্থার কর্ণধার। চিন-বিরোধী খবর প্রকাশের জন্য বছরখানেক আগে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে জিমির সংস্থার সংবাদপত্র ‘অ্যাপল ডেইলি’-কে। তার আগে এক সাক্ষাৎকারে লাই সাফ জানিয়েছিলেন, হংকংয়ে থেকেই তিনি গণতন্ত্রের পক্ষে লড়াই চালিয়ে যাবেন। নয়া জাতীয় নিরাপত্তা আইনে তাঁকে নিশানা করবে বেজিং বলে সেখানে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন লাই। সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়েছে। লাইয়ের বিরুদ্ধে যা অভিযোগ, তাতে দোষী সাব্যস্ত হলে ন্যূনতম ১০ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা পর্যন্ত হতে পারত। আদালত শোনাল ২০ বছরের সাজা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.