Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Johnson & Johnson

জনসনের বেবি পাউডারে ক্যানসারের বিষ! আইনি প্যাঁচে ৫৫০ কোটি ডলার দিতে রাজি সংস্থা

শুরু থেকেই সংস্থার তরফে দাবি করা হয়েছে, ট্যাল্কের কারণে ক্যানসার হয় এমন কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবে ২০২০ সালে আমেরিকা ও ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে ট্যালকাম ভিত্তিক বেবি পাউডার বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০২৬, ২০:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০২৬, ২০:৩০

options
link
জনসনের বেবি পাউডারে ক্যানসারের বিষ! আইনি প্যাঁচে ৫৫০ কোটি ডলার দিতে রাজি সংস্থা zoom
আইনি প্যাঁচে ৫৫০ কোটি ডলার দিতে রাজি জনসন সংস্থা।
Advertisement

জনসন অ্যান্ড জনসনের (Johnson & Johnson) বেবি পাউডারে ক্যানসারের বিষ। এই ঘটনায় আমেরিকার একাধিক আদালতে দায়ের হয়েছে হাজার হাজার মামলা। আইনি প্যাঁচে পড়ে অবশেষে মামলার নিষ্পত্তির জন্য ৫৫০ কোটি ডলার দিতে রাজি হল জনসন সংস্থা। ভারতীয় মুদ্রায় যা ৫৩ হাজার কোটি টাকা। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে এমনটাই জানানো হয়েছে সংস্থার তরফে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, আমেরিকার বিভিন্ন আদালতে দায়ের হওয়া ৬৯ হাজার মামলা এই সমঝোতার আওতায় পড়বে। অর্থাৎ আমেরিকায় বিচারাধীন ৯৯.৭৫ শতাংশ মামলা থেকে এই বিপুল অর্থের বিনিময়ে রেহাই পাবে সংস্থাটি।

জনসনের বেবি পাউডারের মুখ্য উপাদান হল খনিজ পদার্থ ট্যাল্ক। যা ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদান হিসেবে দাবি করা হয়। ২০২৪ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই খনিজকে মানুষের জন্য সম্ভাব্য ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদান হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। তবে শুরু থেকেই সংস্থার তরফে দাবি করা হয়েছে, ট্যাল্কের কারণে ক্যানসার হয় এমন কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবে ২০২০ সালে আমেরিকা ও ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে ট্যালকাম ভিত্তিক বেবি পাউডার বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জনসনের বেবি পাউডারের মুখ্য উপাদান হল খনিজ পদার্থ ট্যাল্ক। যা ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদান হিসেবে দাবি করা হয়।

ট্যালকামের ব্যবহারে ক্যানসারের ঘটনা প্রথম সামনে আসে ২০১৬ সালে। ট্যালকামের জেরে আমেরিকার এক মহিলার ডিম্বাশয়ের ক্যানসারে মৃত্যুর ঘটনায় আদালত ৭ কোটি ২০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেয়। এক বছর পর অবশ্য বাতিল হয়ে যায় রায়টি। তবে এই ঘটনার পর আমেরিকাজুড়ে জনসন অ্যান্ড জনসনের বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা বাড়তে থাকে। আদালতের রায়ও যেতে থাকে মামলাকারীদের পক্ষে।

জনসন অ্যান্ড জনসনের মামলাবিষয়ক প্রধান এরিক হাস বলেন, এই সমঝোতার মাধ্যমে তাদের সংস্থা মামলাগুলিতে দাঁড়ি টানতে পারবে। সংস্থার আইনজীবীরা এই সমঝোতাকে এক দশকের আইনি লড়াইয়ের ইতিবাচক সমাধান হিসেবে মনে করছেন। তবে বর্তমানে যে মামলাগুলি চলছে তা এই সমঝোতার আওতায় পড়বে না। সর্বশেষ ২০২৫ সালের অক্টোবরে সংস্থার বিরুদ্ধে যে মামলা দায়ের হয়েছিল তাতে অভিযোগ করা হয়, সংস্থা জানত তাদের ট্যালকাম পণ্য ডিম্বাশয়ের ক্যানসার ও মেসোথেলিওমা-সহ বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের কারণ হতে পারে। তারপরও সংস্থাটি এই পণ্যের বিক্রি চালু রাখে। যদিও সংস্থার তরফে যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.