Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Johnson & Johnson

‘জনসন অ্যান্ড জনসন’ পাউডার থেকে ক্যানসার! বিপুল অর্থ দিয়ে মামলা নিষ্পত্তির চেষ্টা

২০২০ সালের মে মাস থেকে আমেরিকা ও কানাডায় বন্ধ এই পাউডারের বিক্রি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৫, ২০২৩, ১০:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৫, ২০২৩, ১০:৪২

options
link
‘জনসন অ্যান্ড জনসন’ পাউডার থেকে ক্যানসার! বিপুল অর্থ দিয়ে মামলা নিষ্পত্তির চেষ্টা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘জনসন অ্যান্ড জনসন’ (Johnson & Johnson) বেবি পাউডার (Baby powder)। কয়েক বছর ধরেই বিতর্ক অব্যাহত যাকে ঘিরে। ওই পাউডারে অ্যাসবেস্টসের নমুনা পাওয়া গিয়েছে। অ্যাসবেস্টস শিশু শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। এর সংস্পর্শে এলে ক্যানসার পর্যন্ত হতে পারে। এমন দাবি ঘিরেই চলছে বিতর্ক। এই সংক্রান্ত মামলাগুলি শেষ করতে এবার ৮৯০ কোটি মার্কিন ডলারের মাধ্যমে সমঝোতার প্রস্তাব দিল সংস্থাটি। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ৭৩ হাজার ৮৬ কোটি টাকা।

নিউ জার্সির সংস্থাটির বক্তব্য, দেউলিয়া আদালত যদি তাদের প্রস্তাবে অনুমোদন দেয় তাহলে এর মাধ্যমে ‘কসমেটিক ট্যাল্ক’ সংক্রান্ত মামলাগুলির সব দাবির ন্যায়পূর্ণ সমাধান হবে। যদি শেষ পর্যন্ত তাদের দাবি অনুমোদন পায়, তাহলে তা হবে মার্কিন ইতিহাসে কোনও পণ্যের ক্ষেত্রে অন্যতম বৃহৎ অঙ্কের সমঝোতা। ওই অর্থ সমস্ত মামলাকারীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে সংস্থার তরফে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রেমিকার বরকে খুন করতেই ‘বিয়ের উপহার’ মিউজিক সিস্টেমে রাখেন বোমা! গ্রেপ্তার প্রেমিক]

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের মে মাস থেকে আমেরিকা ও কানাডায় বন্ধ এই পাউডারের বিক্রি। যদিও জনসন অ্যান্ড জনসনের তরফে কখনওই ওঠা অভিযোগকে স্বীকার করা হয়নি। বরং তাদের দাবি, যে অভিযোগ করা হচ্ছে তার সপক্ষে তেমন কোনও মজবুত বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

১৮৯৪ সাল থেকে ‘জনসন অ্যান্ড জনসন’ বেবি পাউডার বিক্রি হয়ে চলেছে। পরিবারবন্ধুর প্রতীক হয়ে ওঠায় সংস্থার প্রতীকী পণ্য হয়ে উঠেছিল এটিই। কিন্তু আমেরিকার ৩৫ হাজার মহিলা জরায়ুর ক্যানসারের জন্য ওই সংস্থাকে দায়ী করে মামলা দায়ের করার পর থেকেই মার্কিন মুলুকে ক্রমেই কমতে শুরু করে পাউডারটির চাহিদা। সেই থেকে পরিস্থিতি ক্রমেই প্রতিকূল হয়েছে। আমেরিকার এক আদালত সংস্থাকে ১৫ হাজার কোটি টাকার জরিমানার ‘সাজা’ দিয়েছিল। আদালতের বক্তব্য ছিল, সংস্থাটি শিশুদের পণ্য নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেছে। বিচারক এমনও জানিয়েছিলেন, এই অপরাধের শাস্তি কেবল অর্থের জরিমানাতেই শেষ হতে পারে না।

[আরও পড়ুন: সিকিমে তুষারধস: মৃত বাংলার দুই পর্যটক, আজও বন্ধ ছাঙ্গু-নাথু লার রাস্তা]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.