Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

প্রাথমিক স্কুলে ইংরেজি নিষিদ্ধ করল ইরান, কেন জানেন কি?

ইংরেজির নিষেধাজ্ঞায় না প্রেসিডেন্ট রৌহানির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০১৮, ০৯:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০১৮, ০৯:১৭

options
link
প্রাথমিক স্কুলে ইংরেজি নিষিদ্ধ করল ইরান, কেন জানেন কি? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সরকারিভাবে প্রাথমিকে ইংরেজিভাষা নিষিদ্ধ করল ইরান। প্রাথমিকে বিদেশি ভাষা শিক্ষার কোনওরকম প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।এই সময়টায় ছাত্রছাত্রীদের ইংরেজির বদলে ফারসীও ইরানি ইসলামী শিক্ষার উপরে জোর দেওয়া হবে।এমনটাই জানিয়েছেন সে দেশের প্রধান শিক্ষা পরিষদের সম্পাদক মেহেদি নাভিদ আধম। প্রধান শিক্ষা পরিষদের এ হেন নির্দেশিকাকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশের সর্বাধিনায়ক আয়াতুল্লা আলি আলখামেইনি। তবে প্রাথমিকে ইংরেজি নিষিদ্ধ করার নির্দেশিকায় সহমত পোষণ করেননি প্রেসিডেন্ট হাসান রৌহানি।

[হাড়হিম করা শীতেও বাঙালির পাতে মিলবে খাস পদ্মার ইলিশ]

Advertisement

এই প্রসঙ্গে প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, চাকরির বাজারে সেরার জায়গা নিতে নতুন প্রজন্মকে সাহায্য করবে ইংরেজি। তবে ইংরেজি নিষিদ্ধের নির্দেশিকা স্থগিত করে দেওয়ার ক্ষমতা তাঁর নেই।

এদিকে আয়াতুল্লা আলি আলখামেইনি-র মতে ইংরেজি শিক্ষা নিয়ে গোটা ইরানেই বড় বেশি মাতামাতি হয়। ২০১৬-তেই শিক্ষা সংক্রান্ত এক আলোচনায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিক্ষকদের একহাত নিয়েছিলেন সর্বাধিনায়ক। নার্সারিস্তরে ইংরেজির বিস্তার নিয়ে শিক্ষকদের সমালোচনায় মুখর হন তিনি। বলেন, ইংরেজি ভাষার এই বহুল ব্যবহার আসলে ইংরেজি সংস্কৃতিকে বরণ করে নেওয়া। প্রাথমিকে ইংরেজি থাকলে দেশের নিজস্ব সংস্কৃতি ছেড়ে পশ্চিমী সংস্কৃতিতে আকৃষ্ট হয়ে পড়বে তরুণ প্রজন্ম। তবে ইংরেজি শিক্ষার অবসানের উদ্দেশ্যেই একথা বলা হয়নি। প্রতিপক্ষরা কীভাবে নিজেদের সংস্কৃতির প্রতি তরুণ প্রজন্মকে পরিকল্পিতভাবে প্রভাবিত করছে তাও দেখার মতো বিষয়।

[জমি তৈরি করে শক্তি বাড়াচ্ছে আইএস, ঘোর বিপদে পাকিস্তান]

প্রধান শিক্ষা পরিষদের তরফে জানানো হয়েছে, প্রাথমিকে ইংরেজি ব্রাত্য থাকলেও মাধ্যমিকস্তরে ইংরেজি চালু থাকবে। ১২ বছর বয়স থেকে ইংরেজি ভাষা শেখার সুযোগ পাবে পড়ুয়ারা। কোনও প্রাথমিক স্কুল যদি নির্দেশিকা না মেনে সরকারি শিক্ষাব্যবস্থার বাইরে গিয়ে ইংরেজি চালু রাখে, সংশ্লিষ্ট স্কুলটি আইন ভাঙার দায়ে পড়বে।তবে মাধ্যমিক ও জনপ্রিয় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এই নির্দেশিকার আওতায় পড়ছে না। বিজ্ঞানের ভাষাও ইংরেজি হওয়ার দরকার নেই। পড়ুয়ারা স্প্যানিশ বা ফরাসি ভাষায় শিক্ষা নিতে পারে।

[কিমের সঙ্গে কথা বলতে আপত্তি নেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের]

দেশের এক অস্থির পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত নিল শিক্ষা পরিষদ। যখন সরকার বিরোধিতায়  ২১ জনের প্রাণ গিয়েছে। বিরোধিতা করে ১০০০ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। তাদের মধ্যে ৯০ জনই পড়ুয়া।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.