Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৩ জুন ২০২৬
Lebanon Journalist

‘আমাকে একা ফেলে…’, সহকর্মীর শেষ কথা এখনও কানে বাজছে লেবাননের সাংবাদিকের

লেবাননের সংবাদপত্র ‘আল-আখবার’-এর সঙ্গে যুক্ত জেইনাব। তিনি একজন ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফার এবং ভিডিও সাংবাদিক। আমালের সঙ্গে দীর্ঘদিন তিনি দক্ষিণ লেবাননে যৌথভাবে কাজ করেছেন। কিন্তু শেষে যে এই পরিণতি হবে, তা তিনি স্বপ্নেও কল্পনা করেননি। বুধবার একটি চারচাকা গাড়ি করে তাঁরা দক্ষিণ লেবাননের একটি গ্রামের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। সেই সময় তাঁদের সামনের একটি গাড়িতে আছড়ে পড়ে ইজরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১৯:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১৯:১৯

options
link
‘আমাকে একা ফেলে…’, সহকর্মীর শেষ কথা এখনও কানে বাজছে লেবাননের সাংবাদিকের zoom
(বাঁ দিকে) আমাল খালিল এবং জেইনাব ফারাজ (ডান দিকে)। ছবি: সংগৃহীত।

যুদ্ধবিরতির মাঝেই লেবাননে (Lebanon) ইজরায়েলি হামলায় প্রাণ গিয়েছে এক মহিলা সাংবাদিকের (Journalist)। মৃতের নাম আমাল খলিল। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁর সহকর্মী জেইনাব ফারাজ। আমালের মৃত্যুতে কার্যত শোকে পাথর হয়ে গিয়েছেন তিনি। এখনও তাঁর কানে বাজছে আমালের শেষ কয়েকটি কথা।

লেবাননের সংবাদপত্র ‘আল-আখবার’-এর সঙ্গে যুক্ত জেইনাব। তিনি একজন ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফার এবং ভিডিও সাংবাদিক। আমালের সঙ্গে দীর্ঘদিন তিনি দক্ষিণ লেবাননে যৌথভাবে কাজ করেছেন। কিন্তু শেষে যে এই পরিণতি হবে, তা তিনি স্বপ্নেও কল্পনা করেননি। বুধবার একটি চারচাকা গাড়ি করে তাঁরা দক্ষিণ লেবাননের একটি গ্রামের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। সেই সময় তাঁদের সামনের একটি গাড়িতে আছড়ে পড়ে ইজরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন জেইনাব এবং আমাল। দ্রুত তাঁরা তাঁদের গাড়ি থেকে নেমে পড়েন। কিছুক্ষণ পরই তাঁদের গাড়িতেও আছড়ে পড়ে ক্ষেপণাস্ত্র। কোনও মতে প্রাণ বাঁচিয়ে তাঁরা একটি দোকানে আশ্রয় নেন। কিন্তু ততক্ষণে দু’জনেই গুরুতর আহত।   

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শুক্রবার সংবাদসংস্থা ‘এপি’কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে জেইনাব বলেন, “আমালের নাক, মাথা, কাঁধে গুরুতর আঘাত লেগেছিল। তিনি হামাগুড়ি দিয়ে আমার দিকে আসছিলেন। তাঁর শরীরের একাংশ অগ্নিদগ্ধ হয়ে গিয়েছিল।” তিনি আরও বলেন, “ঘুমে আমার চোখ বন্ধ হয়ে আসছিল। দেখলাম, আমাল আমার কাছে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। তারপর কাতর কণ্ঠে বললেন, আমাকে ছেড়ে যেও না। ওঁর অবস্থা ভালো ঠেকছিল না। মুখটা ফ্যাকাসে হয়ে গিয়েছিল। আমি বুঝতে পারছিলাম, জেইনাবের অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হচ্ছিল।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.