Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Indonesia

৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়ার বান্দা সাগর, দ্বীপরাষ্ট্রে সুনামির শঙ্কা?

মাত্র ২ সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও জোরালো কম্পন অনুভূত হল দ্বীপরাষ্ট্রে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৯, ২০২৫, ০৮:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৯, ২০২৫, ০৮:৩১

options
link
৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়ার বান্দা সাগর, দ্বীপরাষ্ট্রে সুনামির শঙ্কা? zoom
প্রতীকী ছবি
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের ভূমিকম্পের কবলে ইন্দোনেশিয়া। মাত্র ২ সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও জোরালো কম্পন অনুভূত হল দ্বীপরাষ্ট্রের বান্দা সাগরে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.৬। যদিও আশার কথা এই যে ভূমিকম্পের জেরে কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। শুরুতে কম্পনের জেরে সুনামির আশঙ্কা করা হয়েছে। যে আশঙ্কা খারিজ করা হয়েছে বিশেষজ্ঞদের তরফে।

ভূতাত্ত্বিক গবেষণাকেন্দ্র ‘জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস’ (জিএফজেড) জানিয়েছে, এদিনের ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল বান্দা এলাকার সমুদ্রতল থেকে ১৩৭ কিলোমিটার (৮৫ মাইল) গভীরে। বিশেষজ্ঞদের তরফে জানা যায়, ভূমিকম্পের দিক থেকে অত্যন্ত সক্রিয় প্রশান্ত মহাসাগরের “রিং অফ ফায়ার” এর পাশে অবস্থিত ইন্দোনেশিয়া। এর জটিল টেকটোনিক বিন্যাসের কারণে প্রায়শই ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে এখানে। বিশেষ করে বান্দা সাগর অঞ্চলটি অস্ট্রেলিয়ান এবং সুন্দা প্লেট সহ একাধিক টেকটোনিক প্লেটের কেন্দ্রস্থল। এই মিথস্ক্রিয়া পৃথিবীর ভূ-তলকে ছোট ছোট প্লেট এবং মাইক্রোপ্লেটে বিভক্ত করেছে। যেমন বান্দা সাগর, তিমুর, মোলুক্কা সাগর এবং বার্ডস হেড প্লেট – যা পৃথিবীর সবচেয়ে জটিল ভূতাত্ত্বিক পরিবেশগুলির মধ্যে একটি।

Advertisement

২০০৪ সালে সুমাত্রার উপকূলে ৯.১ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছিল। যার কেন্দ্রস্থল ছিল বান্দা আচের অদূরে। সেই ভূমিকম্পের জেরে তীব্র জলোচ্ছ্বাস সুনামি রূপ নিয়ে উপকূলে আছড়ে পড়ে। মৃত্যু হয় বহু মানুষের। এ বারের ভূমিকম্পে অবশ্য কোনও হতাহতের কোনও খবর পাওয়া। ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সমুদ্রে সুনামির কোনও লক্ষণ নেই।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৬ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়া প্রদেশে ভূমিকম্প হয়েছিল। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল আবেপুরা শহর থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরের এক জায়গায়, যেখানকার জনসংখ্যা ৬২,০০০-এরও বেশি। ৬.৭ মাত্রার ওই ভূকম্পের উৎসস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৭০ কিলোমিটার (৪৩.৫ মাইল) গভীরে। ওই ঘটনায় কিছু বাড়িঘরের ক্ষতি হলেও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.