BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বিধ্বংসী দাবানল মার্কিন মুলুকের পশ্চিমাংশে, প্রাণভয়ে শহর ছাড়ছেন বাসিন্দারা

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: September 11, 2020 4:28 pm|    Updated: September 11, 2020 5:17 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্যালিফোর্নিয়ার সীমানা ছাড়িয়ে এখন পাশের প্রদেশ ওরেগনকে (Oregon) গ্রাস করেছে দাবানল। ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে প্রাণে বাঁচতে সমস্ত পিছুটান ছেড়ে পালিয়েছেন অন্তত ৫ লক্ষ মানুষ। শুধু ক্যালিফোর্নিয়া, ওরেগন নয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলের অন্তত ১২ টি প্রদেশের জঙ্গলে জ্বলে উঠেছে লেলিহান অগ্নিশিখা। তীব্র ঝলকানি পুড়িয়ে দিচ্ছে সবকিছু। অগ্নিদেবের এমন রুদ্রমূর্তি আমেরিকায় আগে কেউ কখনও দেখেছেন কিনা, মনেই করতে পারছেন না। ওরেগন প্রশাসন সূত্রে খবর, অন্তত ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে দাবানলে, ৪৪ লক্ষ একর বনভূমি পুড়ে ছাই। শহরগুলো কার্যত আতঙ্কে কাঁপছে।

US-Fire

গত বছরের অস্ট্রেলিয়ার দাবানলের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছিল গত মাসের ক্যালিফোর্নিয়ার জঙ্গলের আগুন (Wildfire)। শুষ্ক হাওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নরের আবেদন মেনে এবং পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে একে ‘বড় বিপর্যয়’ ঘোষণা করে রাজকোষ থেকে আর্থিক সাহায্যও দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরিস্থিতির তাতে কতটা মোকাবিলা হয়েছে, জানা নেই। বরং তার অবনতির খবরই মিলেছে।

US-Fire1

এক প্রদেশ থেকে ছড়িয়ে পড়েছে আরেক প্রদেশে। মাঝেমধ্যেই জ্বলে উঠছে আগুন। অন্তত ১০০টি দাবানলের উৎস খুঁজে পাওয়া গিয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি ওয়াশিংটন, ওরেগন, ক্যালিফোর্নিয়ার। শহরগুলো পর্যন্ত বিধ্বস্ত। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, আগুনের তাপে আকাশ লাল, প্রবল ধোঁয়ায় দিনের বেলাতেই রাতের আঁধার নামছে।

[আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে পাকিস্তান, হাস্যকর দাবি ‘বন্ধু’ চিনের]

ওরেগন দমকল বিভাগের অফিসার রিচ টেলরের কথায়, ”যখন ঘরদোর সব জ্বলছে, তখনই গ্যাসের পাইপ লাইনগুলো খোলা। তা থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস বেরচ্ছে এবং আগুন আরও দাউদাউ করে জ্বলে উঠছে।” গভর্নর কেট ব্রাউন বলছেন, ”এর আগে এই প্রদেশে এত বড় আগুন কখনও দেখিনি। মনে হয় না, এই বিপর্যয় একবারেই হয়েছে। আমরাই সম্ভবত আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে আগে টের পাচ্ছি।” তিনি আরও জানান, ওরেগনে যে ৪ জনের প্রাণহানি হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে ১২ বছরের এক কিশোরও। তার ঠাকুমা এবং মায়ের সঙ্গে লিওন শহর থেকে পালাতে গিয়ে দাবানলের গ্রাসে পড়েছে। কিশোরের মায়ের শরীরের বেশিরভাগ অংশই দগ্ধ। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মৃত্যু হয়েছে সঙ্গে থাকা পোষ্য কুকুরটিরও। আরও কতটা খাণ্ডবদাহনের পর যে শক্তি খুইয়ে নিভবে আগুন, কেউই তা আন্দাজ করতে পারছে না।

[আরও পড়ুন: প্রতিযোগিতায় মাতবেন না, অক্সফোর্ডের টিকার ট্রায়াল বন্ধ হওয়া নিয়ে বার্তা WHO’র]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement