Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
নেপাল

‘প্রচণ্ড’ বিপাকে প্রধানমন্ত্রী ওলি, নেপালে তুঙ্গে ক্ষমতার লড়াই

৮ তারিখ পর্যন্ত পিছল NCP'র স্থায়ী কমিটির বৈঠক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২০, ১৬:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২০, ১৬:৩৫

options
link
‘প্রচণ্ড’ বিপাকে প্রধানমন্ত্রী ওলি, নেপালে তুঙ্গে ক্ষমতার লড়াই zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জাতীয়তাবাদের নৌকায় চেপেও রাজনীতির উত্তাল সাগরে বিপাকে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। এককালের বন্ধু থেকে বর্তমানের বিক্ষুব্ধ শিবিরের প্রধান সেনাপতি পুষ্পকমল দাহাল ওরফে প্রচণ্ডের সঙ্গে কিছুতেই বনিবনা হচ্ছে না তাঁর। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে ইস্তফা দিতে হলে শাসক দল নেপাল কমিউনিস্ট পার্টিকে (NCP) দু’টুকরো করে ফেলার হুঁশিয়ারিও দিয়ে ফেলেছেন ওলি।

[আরও পড়ুন: ভারতকে চাপে রাখতে নয়া কৌশল চিনের, ভুটানের অংশ নিজেদের বলে দাবি বেজিংয়ের!]

নেপালের রাজনীতিতে এহেন টালমাটাল সময়ে সোমবার রাজধানী কাঠমান্ডুতে বৈঠকে বসেন শাসকদলের দুই নেতা পুষ্পকমল দাহাল ও দলের চেয়ারম্যান তথা প্রধানমন্ত্রী ওলি। দলের ভাঙন বাঁচিয়ে ওলিকে পদত্যাগে রাজি করানোই তাঁর লক্ষ্য বলে আগেই জানিয়েছিলেন প্রাক্তন মাওবাদী নেতা দাহাল। তবে এদিন দীর্ঘ আলোচনার পরও জট কাটেনি বলে সূত্রের খবর। কিছুতেই গদি ছাড়তে রাজি হননি ওলি। এদিকে, শনিবার দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক সোমবার পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছিল। স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্য ওলির ইস্তফার দাবিতে অনড়। কিন্তু আজকের বৈঠকে কোনও রফাসূত্র না মেলায় জুলাই মাসের ৮ তারিখ পর্যন্ত সেই বৈঠক মুলতবি রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, শনিবার মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকে ওলি অভিযোগ করেন, ভারতের (India) ষড়যন্ত্রে শামিল হয়ে দলেরই একাংশ তাঁকে তাঁকে পদচ্যুত করার চেষ্টা করছে। প্রেসিডেন্ট বিদ্যাদেবী ভান্ডারিকেও সরানোর চেষ্টা করছে এই শক্তি। ওলির মন্তব্যের পরে শাসক দলে ওলি বিরোধী তিন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দহল ওরফে প্রচণ্ড, মাধব নেপাল এবং ঝালনাথ খানাল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করেন। তাঁকে ইমপিচ করার কোনও কর্মসূচি নেই বলে জানান তাঁরা। রাষ্ট্রপতি যেন ওলির পাশে না দাঁড়ান। সব মিলিয়ে নেপালে ক্ষমতার লড়াই তুঙ্গে।

প্রসঙ্গত, শাসকদলের অন্দরে চলা কলহের জেরেই সদ্য অনির্দিষ্ট কালের জন্য মুলতুবি হয়ে গেল দেশটির বাজেট অধিবেশন। রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভাণ্ডারি মন্ত্রিসভার প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন। চিনের সঙ্গে সুর মিলিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে নিজের দলেই কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। নিশানা হয়েছেন বিরোধীদেরও। অন্য নেতারাও ভারতের সঙ্গে এতদিনকার মধুর সম্পর্ক খারাপ হওয়ার জন্য তাঁর দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলছেন। এককালের তাঁর কমরেড ও বন্ধু পুষ্পকমল দাহাল ওরফে প্রচণ্ড আজ ওলির বিপক্ষ শিবিরে। নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির (NPC) মধ্যে যে ফাটল ক্রমে বাড়ছে তা স্পষ্ট।

[আরও পড়ুন: আমেরিকার পর ব্রিটেনেও বড় ধাক্কা চিনের, 5G নেটওয়ার্কের বরাত হারানোর মুখে Huawai]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.