Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১ জুলাই ২০২৬

মানসিক অবসাদ, ২০ বছর ধরে শিকলবন্দি এই যুবক

এই কষ্টকর জীবন থেকে মুক্তি চান ওই যুবক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০১৭, ১৪:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০১৭, ১৪:০৪

options
link
মানসিক অবসাদ, ২০ বছর ধরে শিকলবন্দি এই যুবক zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: অন্যকে হামলা থেকে বাঁচাতে এক বাবা তার সন্তানকে ২০ বছর ধরে শিকলে বেঁধে রেখেছেন। এ ঘটনা রাজধানী ঢাকা ১৩০ কিলোমিটার দূরে দক্ষিণের জেলা মাদারীপুরের কালকিনি থানার চরলক্ষ্মী গ্রামে। রিপন বেপারি (৪৮) প্রায় ২০ বছর ধরে একই ঘরে শিকলবন্দি হয়ে জীবন-যাপন করছেন। অন্যের ক্ষতি করতে পারে এমন আশংকায় দীর্ঘ ২০ বছর শিকলে বেঁধে রেখেছে তাঁর পরিবার। তবে বর্তমানে তিনি এই বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে সুন্দর স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে চান। মাদারীপুরের চরলক্ষ্মী গ্রামের রশিদ কুট্টি বেপারির ছেলে রিপন বেপারির বয়স যখন ১৮ তখন তাঁকে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের পর একটি পুত্র সন্তানও হয়। কিন্তু ৯ বছর বয়সে ছেলে দুরারোগ্য ব্যাধিতে মারা যায়। এরপর তার স্ত্রী সালেহা বেগম অন্য এক পুরুষের সঙ্গে বিয়ে করে পালিয়ে যান। এই ঘটনার পর থেকে রিপন বেপারি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এক পর্যায়ে তাঁর মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। তখন তাঁর বাবা তাকে শিকলে বেঁধে রাখেন। সেই থেকে প্রায় ২০ বছর ধরে শিকলে বন্দি অবস্থায় আছেন রিপন বেপারি।

unnamed

Advertisement

রশিদ কুট্টি বেপারি জানান, স্ত্রী-সন্তান হারিয়ে রিপন পাগল হয়ে যান। চিৎকার-চেচামেচি, মারপিট-সহ নানা সমস্যা করতে থাকেন তিনি। তাই যাতে অপরের কোন ক্ষতি করতে না পারে তার জন্য তাঁকে শিকলে বেঁধে রাখা হয়েছে। শিকলে বাঁধা অবস্থায় রিপন বেপারি স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি মানসিকভাবে কিছুটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়লে আমার বাবা আমাকে ঘরে শিকল বেঁধে রাখেন। সেই থেকে শিকলে বাঁধা অবস্থায় আমার জীবনের মূল্যবান ২০ বছর চলে গিয়েছে। আমি এখন ভাল হয়ে গিয়েছি। তাই এই কষ্টকর জীবন থেকে আমি মুক্তি চাই। চাই সুন্দর স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.