Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Jaguar Land Rover

‘যন্ত্র-জীবাণু’তে স্তব্ধ ব্রিটেনে টাটার গাড়ি কারখানা! দোষীদের খোঁজে চিন থেকে ইরানে গোয়েন্দারা

একবছর ধরেই নজরদারি চালাচ্ছিল দুষ্কৃতীরা!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২৫, ১৫:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২৫, ১৫:৩৯

options
link
‘যন্ত্র-জীবাণু’তে স্তব্ধ ব্রিটেনে টাটার গাড়ি কারখানা! দোষীদের খোঁজে চিন থেকে ইরানে গোয়েন্দারা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঠিক যেমন করে খ্যাপা খুঁজে ফেরে পরশপাথর। সেভাবেই চিন থেকে ইরান এখন ‘ক্লু’ খুঁজে বেড়াচ্ছে ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা MI5। আসলে জাগুয়ার ল্যান্ড রোভার তথা জেএলআর শিকার হয়েছে এই সময়ের অন্যতম ভয়াবহ সাইবার হানার। যার জেরে কোটি কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে ব্রিটিশ গাড়ি নির্মাতা সংস্থাটিকে। বর্তমানে এই সংস্থা টাটা গোষ্ঠীর মালিকানাধীন। এই সাইবার হানার পিছনে কোনও আন্তর্জাতিক চক্র জড়িত, এমনটাই মনে করছেন গোয়েন্দারা। আর সেই অপরাধীদের ‘টিকি’ খুঁজতে তাই রাশিয়া থেকে চিন, নানা জায়গাতেই চলছে খোঁজ।

জানা গিয়েছে, এহেন পরিস্থিতিতে সপ্তাহ ছয়েকের জন্য নির্মাণ স্থগিত রেখেছে টাটার ওই সংস্থা। ইতিমধ্যেই ব্রিটিশ সরকার তাদের ১.৫ বিলিয়ন ইউরো ঋণ দিয়েছে বিপুল ক্ষতির দিকটি পুষিয়ে নেওয়ার জন্য। সেই সঙ্গেই বিভিন্ন ব্যাঙ্ক থেকেও প্রায় ২ বিলিয়ন ইউরো ঋণ নিয়েছে সংস্থাটি। এইভাবে প্রাথমিক ধাক্কা সামলে এগিয়ে চলাই লক্ষ্য তাদের। জেএলআরের সাপ্লাই চেন কিন্তু বিরাট। বিভিন্ন দেশ মিলিয়ে তাদের কর্মীর সংখ্যাই ২ লক্ষ।

Advertisement

এই পরিস্থিতিতে এহেন বিরাট চক্রান্তের পিছনে কারা সেটা বের করাই এমআই৫ ও ব্রিটেনের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রাথমিক তদন্তে এটা পরিষ্কার, প্রায় একবছর ধরে নজরদারি চালাচ্ছি সাইবার আততায়ীরা। একেবারে সবদিক খতিয়ে দেখে তবেই আক্রমণ করে তারা। এই তদন্তের নেতৃত্ব দেওয়া ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি কাজ করছে ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টারের সঙ্গে। গোয়েন্দাদের দাবি, আপাতত যা তথ্যপ্রমাণ মিলছে তাতে এটা পরিষ্কার কোনও ‘শত্রু’ দেশই রয়েছে এর নেপথ্যে। হতে পারে সেই দেশ রাশিয়া। অথবা চিন। কিংবা ইরান। কোনও দেশকেই নিশ্চিত ভাবেই কাঠগড়ায় তোলা যাচ্ছে না। কিন্তু এদের মধ্যে কারও জড়িত থাকার সম্ভাবনাই বেশি। এখন দেখার, শেষপর্যন্ত গোয়েন্দারা তদন্ত এগিয়ে চলার পর কোন সত্যে উপনীত হন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.