Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬

জানেন, নাসার চাকরি ছেড়ে কেন সিগারের ব্যবসা করছেন এই ব্যক্তি?

২ লক্ষ মার্কিন ডলারের চাকরি ছেড়েছেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০১৭, ০৫:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০১৭, ০৫:৪৫

options
link
জানেন, নাসার চাকরি ছেড়ে কেন সিগারের ব্যবসা করছেন এই ব্যক্তি? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছোটবেলায় যে বাড়িতে থাকতেন, সে বাড়ির পাশেই ছিল একটি সিগার তৈরির কারখানা। ঠাকুরদা সিগার খেতেন। তখন থেকেই সিগারের প্রতি একটা ভালবাসা তৈরি হয়। সিগার খাওয়ার মধ্যে কোথাও যেন একটি আভিজাত্যের ছোঁয়া ছিল, এমনটাই মনে হত তাঁর। ধীরে ধীরে একদিন তিনি নিজেও সিগারের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়লেন। ফল, নাসার মতো সংস্থার চাকরি ছেড়ে সিগার তৈরির কারখানাই খুলে ফেলেছেন ওমর দে ফ্রিয়াস।

[সঙ্গমের সময়ই সন্তানকে স্তন্যদান! বিতর্কের জবাব দিলেন এই মহিলা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মাত্র কয়েক বছর হল সিগার তৈরির কারখানা খুলেছেন ওমর। কিন্তু, এরই মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে তাঁর নিজস্ব ব্র্যান্ডের সিগার, ‘হিজ স্প্রিংফিল্ড’। আমেরিকার শিকাগো থেকে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম, সর্বত্র দেদার বিকোচ্ছে এই সিগার। চলতি বছরে ফ্রিয়াসের কোম্পানির তৈরি যত সিগার বিক্রি হয়েছে, তার বাজার মূল্য প্রায় ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। কোম্পানির বার্ষিক আয় এক মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ওমর দে ফ্রিয়াস বলেন, ‘আমি নিজে ২০ বছর ধরে সিগার খাচ্ছি। প্রথম থেকেই এই সিগার তৈরির শিল্প আমাকে মুগ্ধ করত। ছোটবেলায় ঠাকুরদাকে সিগার খেতে দেখতাম। দারুণ লাগত।’

[মাইক্রোসফটে ছাঁটাই, চাকরি হারাতে চলেছেন কয়েক হাজার মানুষ]

৩৮ বছরের ওমর দে ফ্রিয়াস বড় হয়েছেন ডমিনিকান রিপাবলিকের সান্টো ডোমিনগো শহরে। বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ও ফিন্যান্স নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। ২০০৪-এ  নাসায় চাকরি পান ওমর। বেতন, প্রায় দু লক্ষ মার্কিন ডলার। ওয়াশিংটনে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থায়  দশ বছর চাকরিও করেন। কিন্তু, চাকরি জীবনের একঘেয়েমি আর ভাল লাগছিল না তাঁর। নতুন কিছু করার জন্য ছটফট করছিলেন ওমর। কিন্তু কী করবেন, ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলেন না। ঠিক তখনই অ্যাপলের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জোবসের বক্তৃতায় জীবনের নতুন দিশা খুঁজে পান তিনি। স্ত্রীর উৎসাহে সিগারের ব্যবসা করার সিদ্ধান্ত নেন। সিগার তৈরির শিল্প নিয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি ঘুরে দেখেন হন্ডুরাস, ডমিনিকান রিপাবলিকের বিভিন্ন সিগার তৈরির কারখানা। ওমর বলেন, ‘আমি আসলে সিগার শিল্পের কাঠামোটা বুঝতে চাইছিলাম। ঠিক কোন কাজটা আমার পক্ষে সুবিধাজনক হবে, সেটাও জানার চেষ্টা করছিলাম।’

[বায়ুমণ্ডলে ‘বিষ’, কোনও প্রাণীই বেশিদিন বাঁচবে না মঙ্গলে!]

অবশেষে আমেরিকার ভার্জিনিয়ায় সিগার তৈরির কারখানা খোলেন ওমর। ২০১৩ সালের জুলাইয়ে লাস ভেগাসে ইন্টারন্যাশনাল প্রিমিয়ার সিগার ও পাইপ রিটেল ট্রেড শো-তে তাঁর তৈরি সিগার সকলের নজর কাড়ে। আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ওমরকে। শেষপর্যন্ত গত বছরের অক্টোবরে নাসার চাকরি ছেড়ে পুরোপুরি সিগার ব্যবসায় মনোনিবেশ করেন ওমর দে ফ্রিয়াস।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.