Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Navalny

লিথুয়ানিয়ায় নাভালনির ঘনিষ্ঠ সহযোগীর উপর প্রাণঘাতী হামলা, নেপথ্যে কী রাশিয়া?

চলতি মাসেই মস্কোতেই সমাধিস্ত করা হয়েছে 'পুতিন-বিরোধী' নাভালনিকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২৪, ১৭:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২৪, ১৭:২২

options
link
লিথুয়ানিয়ায় নাভালনির ঘনিষ্ঠ সহযোগীর উপর প্রাণঘাতী হামলা, নেপথ্যে কী রাশিয়া? zoom
নাভালনির দীর্ঘদিনের সহযোগী লিওনিদ ভলকোভের উপর হামলা চালানো হয়

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রয়াত বিরোধী রুশ নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির দীর্ঘদিনের সহযোগীর উপর প্রাণঘাতী হামলা! মঙ্গলবার লিথুয়ানিয়ায় নিজের বাড়ির সামনেই আক্রান্ত হন লিওনিদ ভলকোভ নামে ওই ব্যক্তি। চলতি মাসেই মস্কোতেই সমাধিস্ত করা হয়েছে ‘পুতিন-বিরোধী’ নাভালনিকে। তাঁর মৃত্যু ঘিরে নানা রহস্য দানা বেঁধেছিল। রুশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে উঠেছিল নানা প্রশ্নও। যার উত্তর আজও অধরা। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এবার নাভালনির সঙ্গীর উপর হামলার ঘটনা ঘটল।

জানা গিয়েছে, লিথুয়ানিয়ার রাজধানী ভিলনিয়াসে থাকেন ভলকোভ। রয়টার্স সূত্রে খবর, এদিন এক্স হ্যান্ডেলে গোটা ঘটনা সকলের সামনে তুলে ধরেন নাভালনির মুখপাত্র কিরা ইয়ারমিশ। তিনি জানিয়েছেন, “ভিলনিয়াসে বাড়ির সামনেই ভলকোভের উপর হামলা চালানো হয়। কেউ একজন ওঁর গাড়ির কাঁচ ভেঙে চোখে টিয়ার গ্যাস স্প্রে করে দেয়। তার পরই হামলাকারী হাতুড়ি দিয়ে ক্রমাগত ভলকোভকে আঘাত করতে থাকে।” ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন ভলকোভ। তাঁর মাথায় ও পায়ে চোট লেগেছে। তাঁর সেই আঘাতের ছবিও সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন ইয়ারমিশ।

Advertisement

এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন লিথুয়ানিয়ার বিদেশমন্ত্রী গ্যাব্রিলিয়াস ল্যান্ডসবার্গিস। তিনি জানিয়েছেন, “এটি খুবই জঘন্য ঘটনা। অপরাধীদের এই অপরাধের জবাব দিতেই হবে।” হামলার অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ। বলে রাখা ভালো, রাশিয়ার অন্দরে চলা দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন নাভালনি। সেই সময় তাঁর পাশে ছিলেন ভলকোভ। এর পর জল অনেক দূর গড়িয়ে যায়। একাধিক অভিযোগ তুলে কারাগারে পাঠানো হয় নাভালনিকে। তখন লিথুয়ানিয়ায় পালিয়ে আসেন ভলকোভ।

উল্লেখ্য, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রুশ জেল কর্তৃপক্ষ নাভালনির মৃত্যুর খবর জানায়। তার পর থেকেই সরগরম হয়ে ওঠে রাশিয়ার রাজনীতি। ‘পুতিন-বিরোধী’ নেতার মৃত্যুর কারণ নিয়ে একের পর এক চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেয় নাভালনির পরিবার। এই বিরোধী রুশ নেতার মৃত্যু নিয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সরব হয় আমেরিকা, ফ্রান্স, কানাডা-সহ একাধিক দেশ।

[আরও পড়ুন: ইজরায়েলের হামলার ‘বদলা’, শয়ে শয়ে রকেট ছুড়ল হেজবোল্লা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.