Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Nepal

আস্থাভোটে হেরে ‘গদি’ খোয়ালেন প্রচণ্ড, নেপালে তুঙ্গে রাজনৈতিক ডামাডোল

নেপালের সংসদে ২৭৫ আসনের মধ্যে প্রচণ্ড সরকারের সমর্থনে ভোট পড়ে মাত্র ৬৩টি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২৪, ২১:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২৪, ২১:০৪

options
link
আস্থাভোটে হেরে ‘গদি’ খোয়ালেন প্রচণ্ড, নেপালে তুঙ্গে রাজনৈতিক ডামাডোল zoom
নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহাল প্রচণ্ড।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নেপালে তুঙ্গে উঠল রাজনৈতিক অস্থিরতা। শুক্রবার পার্লামেন্টে আয়োজিত আস্থাভোটে নিজের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারলেন না নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহাল প্রচণ্ড। ২৭৫ আসনের সংসদে মাত্র ৬৩টি ভোট পান তিনি। আস্থাভোটে হেরে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন প্রচণ্ড।

২০২২ সালের ২৫ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলে ৬৯ বছর বয়সি প্রচণ্ড। তার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ৪ বার আস্থাভোট হয়েছে নেপালে (Naepl)। প্রতিবারই জিতে গিয়েছিলেন তিনি। তবে গত ৩ জুলাই প্রচণ্ড সরকারের উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয় কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল-ইউনিফায়েড মার্কসিস্ট লেনিনিস্ট (সিপিএন-ইউএমএল)। এর জেরে ফের আস্থাভোটের মুখে পড়তে হয় প্রচণ্ড সরকারকে। ২৭৫ সদস্যের প্রতিনিধি সভায় জিততে গেলে প্রয়োজন ছিল ১৩৮টি ভোট। সেখানে মাত্র ৬৩টি ভোট পায় প্রচণ্ড সরকার। বিপক্ষে ভোট পড়ে ১৯৪টি। যার জেরে মাত্র ১৯ মাসের মধ্যে সরকার পড়ে গেল নেপালে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: শিক্ষানবিশ IAS পূজার বিরুদ্ধে তদন্তে কেন্দ্র, প্রকাশ্যে বন্দুক হাতে আমলার মায়ের কীর্তি]

চণ্ড সরকারের পতনের পর এবার কেপি শর্মা ওলি নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। কারণ, ওলির নেতৃত্বাধীন সিপিএন-ইউএমএল প্রচণ্ডের উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে হাত মিলিয়েছে নেপালের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল নেপালি কংগ্রেসের সঙ্গে। এই দলের সভাপতি শের বাহাদুর ইতিমধ্যেই পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ওলিকে সমর্থন জানিয়েছেন।

[আরও পড়ুন: রাজস্থানে নারকীয় হত্যাকাণ্ড! প্রকাশ্যে হাতুড়ি পিটিয়ে খুন বিজেপির মুসলিম নেতা]

উল্লেখ্য, নেপালে সিপিএন-ইউএমএলের আসনসংখ্যা ৭৮টি, নেপালি কংগ্রেস ৮৯টি। ফলে সরকার গঠনে জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে প্রয়োজন ১৩৮টি আসন। সেখানে এই দুই দলের মিলিত আসনসংখ্যা ১৬৭টি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.