Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Netanyahu

গাজায় হাজির নেতানিয়াহু! ‘হামাস আর ফিরতে পারবে না’, গর্জন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর

পণবন্দিদের ফেরানো নিয়েও আশ্বাস দেন নেতানিয়াহু।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২১, ২০২৪, ১৩:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২১, ২০২৪, ১৩:৪৩

options
link
গাজায় হাজির নেতানিয়াহু! ‘হামাস আর ফিরতে পারবে না’, গর্জন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গাজায় পা রাখলেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Netanyahu)। সমুদ্র সৈকতে যুদ্ধের পোশাক ও ব্যালিস্টিক হেলমেট পরিহিত ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে দেখা গিয়েছে একটি ভিডিওয়। যেখানে দাঁড়িয়ে তিনি হুংকার করলেন, ”হামাস আর এখানে ফিরতে পারবে না।”

মঙ্গলবার গাজায় পা রেখে কার্যতই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে ছিলেন নেতানিয়াহু। তিনি দাবি করেন, যুদ্ধ একবার শেষ হলে পুরোপুরি হামাসমুক্ত হবে গাজা। সেই সঙ্গেই তাঁর দাবি, আর বেশি দেরি নেই। ইজরায়েলি সেনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে হামাসের মেরুদণ্ড।

Advertisement

এখনও সন্ধান মেলেনি হামাসের হাতে বন্দি ১০১ জন ইজরায়েলি পণবন্দি। তাঁদের সম্পর্কে নেতানিয়াহুর আশ্বাস, শিগগিরি সকলকে উদ্ধার করা হবে। ওই পণবন্দিদের অবস্থান সম্পর্কে কোনও খবর দিতে পারলে ৫০ লক্ষ ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি। কিন্তু যদি হামাসের হাতে সেই পণবন্দিদের কোনও ক্ষতি হয়? এপ্রসঙ্গে নেতানিয়াহুর হুঙ্কার, ”আমাদের পণবন্দিদের কোনও ক্ষতি করলে তাদের বেছে বেছে মারা হবে।” সকলকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৭ অক্টোবর হওয়া হামলার বদলা নিয়ে প্যালেস্টাইনের জঙ্গি সংগঠন হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে দেন নেতানিয়াহু। তার পর থেকেই লড়াই জারি রয়েছে গাজায়। আর এবার নেতানিয়াহুর আশ্বাস, সমস্ত পণবন্দিকে উদ্ধার করে তিনি গাজাকে হামাসমুক্ত করবেন। বলে রাখা ভালো, পণবন্দিদের ফেরাতে না পারা নিয়ে ক্রমাগত চাপে পড়েছেন নেতানিয়াহু। এপ্রসঙ্গে ইজরায়েলের প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গ্যালান্টের মন্তব্যে অসন্তুষ্ট হন নেতানিয়াহু। গত অগস্টে গ্যালান্ট বলেন, গাজায় সামরিক অভিযান চালিয়েও হামাসকে পুরোপুরি নির্মূল করা যাবে কি না, সে বিষয়ে তিনি সন্দিহান। সে সময়ই তাঁকে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এর পরে প্রকাশ্যে যুদ্ধবিরতির পক্ষেও মত প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এর পরিণতিতে সরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.