Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
Diwali

‘দীপাবলির আলো পশ্চিমী সংস্কৃতির পক্ষে ক্ষতিকর’, অস্ট্রেলীয় মহিলার মন্তব্যে নিন্দার ঝড়

কী লিখেছেন কবি থ্যাচার নামে ওই মহিলা, দেখে নিন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০২৫, ১৮:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০২৫, ১৮:৫২

options
link
‘দীপাবলির আলো পশ্চিমী সংস্কৃতির পক্ষে ক্ষতিকর’, অস্ট্রেলীয় মহিলার মন্তব্যে নিন্দার ঝড় zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দীপাবলিতে দীপের আলোয় পৃথিবীর সমস্ত অন্ধকার ঘুচে যায়, এটাই বিশ্বাস। আর সেই শুভশক্তির ব্যাপকতাতেই শিয়ালদহ থেকে সিডনি, দূর থেকে দূরান্তে দীপাবলি উৎসব একান্ত আপন হয়ে উঠেছে। বছরের এই সময় নিজেদের ঘরদোর আলোকময় করে তোলেন প্রবাসী ভারতীয়রা তো বটেই, অভারতীয়রাও আজকাল আলোর উৎসব পালনে পিছপা হন না। সেই ছন্দেই এবার তাল কাটল অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে। আশপাশে ভারতীয়দের ঘরবাড়ি আলোকিত হয়ে ওঠার ছবিটা মোটেই ভালোভাবে গ্রহণ করতে পারলেন না এক মহিলা। সোশাল মিডিয়ায় সেই অপছন্দের কথা জানিয়েই তিনি ক্ষান্ত থাকলেন না। চাঞ্চল্যকর দাবি করে লিখলেন, দীপাবলির আলো পশ্চিমী সংস্কৃতির পক্ষে ক্ষতিকর! তাঁর এই পোস্টে নিন্দার ঝড় নেটদুনিয়ায়।

সিডনির মফস্বল এলাকা নিরিম্বা ফিল্ডস। এখানে প্রচুর ভারতীয়ের বসবাস। দীপাবলিতে স্বাভাবিকভাবেই নিজের ঘরদোর আলোয় ভরিয়ে তুলেছেন তাঁরা। চারপাশে এই আলোকিত পরিবেশ চক্ষুশূল হয়ে উঠল কবি থ্যাচার নামে এক প্রতিবেশীর। সোশাল মিডিয়ায় তার বহিঃপ্রকাশও ঘটিয়ে ফেললেন তিনি। আলোকিত বাড়িগুলির ভিডিও পোস্ট করে লিখলেন, ”এই বাড়িগুলো ক্রিসমাসের সময় কিন্তু আলো জ্বালায় না। অথচ দেখুন কেমন দীপাবলিতে বাড়িঘর আলোয় সাজিয়েছে। এই নিরিম্বা ফিল্ডসের লোকজন বেশিরভাগই ভারতীয়। এখানে এসে পশ্চিমী দুনিয়ার সংস্কৃতিকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আমাদের নিজেদের সংস্কৃতি মুছে যেতে বসেছে, একে রক্ষা করা দরকার।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কবি থ্যাচারের এহেন পোস্ট নিমেষেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। সেইসঙ্গে নেটিজেনরা নিন্দায় মুখর। এহেন পোস্ট তাঁর অসহিষ্ণু মনোভাবেরই বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ। কারও মতে, ‘ভারতীয়রা এখানে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে এবং এই অস্ট্রেলিয়াকেই নিজেদের দেশ বলে মনে করে। নিজেদের ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে এটুকু আয়োজন তো আমাদের পক্ষেই ভালো। ভারতীয়দের দীপাবলি উদযাপনের কারণে স্থানীয় অর্থনীতি কিছুটা চাঙ্গা হয়ে ওঠে। সেটা মনে রাখতে হবে।’

একজন প্রশ্ন তুলেছেন, ‘আলো দিয়ে বাড়ি সাজিয়ে তোলার অর্থ অন্ধকারকে দূর করা। এক অর্থে অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে শুভশক্তিকে জাগ্রত করা। তা কীভাবে আপনার পশ্চিমী সংস্কৃতির পক্ষে বিপজ্জনক হয়? ব্যাখ্যা করুন।’ কেউ কেউ আবার কবি থ্যাচারের বক্তব্য নস্যাৎ করে লিখেছেন, ‘সম্পূর্ণ ভুল কথা বলা হচ্ছে। এখানকার প্রবাসী ভারতীয়রা ক্রিসমাসকেও নিজেদের উৎসব বলেই পালন করেন। যতটা আনন্দ দীপাবলিতে হয়, ততটাই হয় ক্রিসমাসে। আপনি ভুল দিকে নিশানা করছেন।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.