৫ শ্রাবণ  ১৪২৬  রবিবার ২১ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের বড়সড় কম্পন নিউজিল্যান্ডে৷ রবিবার সকালে ৭.৪ মাত্রার কম্পনে কেঁপে উঠল প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রটি৷ উপকূলীয় এলাকাগুলি কেঁপে ওঠে৷ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত উত্তর-পশ্চিমের গুংগুরু শহর৷ এরপরই মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের তরফে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়৷ যদিও কিছুক্ষণ পর তা তুলেও নেওয়া হয়৷ এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির কোনও খবর নেই৷

[আরও পড়ুন: ফেসবুক লাইভে ‘ক্যাট ফিল্টার’-এর ব্যবহার, সোশ্যাল মিডিয়ায় পাক মন্ত্রীকে ঘিরে তামাশা]

ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র ছিল নিউজিল্যান্ডের উত্তর দিকে কারমাডেক দ্বীপ৷ মাটির অন্তত ১০ কিলোমিটার ভিতরে কম্পনের উৎপত্তিস্থল৷ সকালে ঘুম ভাঙতেই কম্পন টের পান গুংগুরু শহরের মানুষজন, যেখানে অন্তত ১৫০০ মানুষের বাস৷ ততক্ষণে উপকূলীয় শহরটিকে বেশ কাঁপিয়ে দিয়েছে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার কম্পন৷ কারমাডেক দ্বীপটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় বলয় এলাকার মধ্যেই অবস্থিত৷ ফলে ভূপ্রাকৃতিকভাবে এটি কম্পনপ্রবণ এলাকা৷ মাঝেমধ্যেই কেঁপে ওঠে এবং রিখটার স্কেলে সেই মাত্রা গড়ে ৭ থাকেই৷ রবিবার বেলা প্রায় ১১টা নাগাদ সেই মাত্রা আরও একটু বেশি হওয়াতেই চিন্তা বাড়ে৷ তড়িঘড়ি দেশের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী জরুরি অবস্থার কথা ঘোষণা করে৷ প্রস্তুতি নিতে থাকে কম্পন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায়৷ বিশেষত উপকূলীয় অঞ্চলের দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সৈকতে যাতায়াত নিষিদ্ধ করা হয়৷

সমুদ্রের জল এত ফুলে ওঠে যে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়৷ তবে ৮ মিনিট পর পরিস্থিতি বুঝে তা তুলেও নেওয়া হয়৷ প্রাণহানি না হওয়ায় তেমন বড় বিপর্যয় থেকে এযাত্রা রক্ষা পেল নিউজিল্যান্ড৷ তবে বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক অনুমান, প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় বলয়ের মধ্যে থাকা কারমাডেক দ্বীপে ভূগর্ভের অভ্যন্তরে দুই প্লেটের সংঘর্ষ ঘটেছে, যার ফলে সমুদ্রতলের উচ্চতায় কিছুটা পার্থক্য ঘটে যেতে পারে৷ তবে কতটা কী বদল ঘটল, সেটাই এখন গবেষণার বিষয়৷

[আরও পড়ুন: যুদ্ধশেষে মিলনান্তক কাহিনি, আইএস ক্যাম্প ছেড়ে যেতে চায় না ইয়াজিদি কিশোরী]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং